আমি দেখিনি বায়ান্নর ভাষা যুদ্ধ
শুনেছি ভাষার শ্রেষ্ঠ ইতিহাস,
আমি দেখিনি একাত্তরের যুদ্ধ
দেখিনি মুক্তির জয় উল্লাস।
আমি শুনেছি রবী-নজরুলের গান
শুনে জাগ্রত হয় বিদ্রুহী প্রান।
জাগো দেশো-বাসী, ভুলে রেশা-রেশি
বাংলার বুকে ফুটাই হাসি,
এসো বাংলাকে ভালবাসি।।
চেতনা উঁকি দেয় শহিদের স্বপ্ন
সুখ শান্তি ধারায়,
যেতে হবে বহুদূর চলো যাই এগিয়ে
নব-সম্ভাবনায় ।
তুমি দুঃখ করোনা, ও বাংলা মা,
শত্রু তোমার বুকে ঠাই পাবে না,
জাগো দেশো-বাসী, ভুলে রেশা-রেশি,
বাংলার বুকে ফুটাই হাসি,
এসো বাংলাকে ভালবাসি।।
অন্ন-বস্ত্র, শিক্ষা-চিকিৎসা,
এ আমার অধিকার,
শান্তির জয় হোক, দুর্নীতি দূর হোক,
এখনই সময় তার,
তুমি ভাবনা করো না,ও বাংলা মা,
বীর বাঙালী পরাজিত হবে না।
জাগো দেশো-বাসী, ভুলে রেশা-রেশি,
বাংলার বুকে ফুটাই হাসি,
এসো বাংলাকে ভালবাসি।।
Here u find the collection of bangla song lyrics-এইখানে আপনি পাবেন বাংলা জনপ্রিয় গানের লিরিক্স
Showing posts with label দেশাত্মবোধক গান. Show all posts
Showing posts with label দেশাত্মবোধক গান. Show all posts
Sunday, 6 January 2013
এসো বাংলাকে ভালোবাসি
Saturday, 21 July 2012
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা
গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
একই আকাশ একই বাতাস
এক হৃদয়ের একই তো শ্বাস।
দোয়েল কোয়েল পাখির ঠোটে একই মুর্ছনা।
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
এপার ওপার কোন পাড়ে জানি না
ও আমি সব খানেতে আছি
গাঙ্গের জলে ভাসিয়ে ডিংগা
ও আমি পদ্মাতে হই মাঝি
শংখ চিলের ভাসিয়ে ডানা
ও আমি দুই নদীতে নাচি
একই আশা ভালবাসা কান্না হাসির একই ভাষা।
দুঃখ সুখের বুকের মাঝে একই যন্ত্রনা
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
একই আকাশ একই বাতাস
এক হৃদয়ের একই তো শ্বাস।
দোয়েল কোয়েল পাখির ঠোটে একই মুর্ছনা।
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
এপার ওপার কোন পাড়ে জানি না
ও আমি সব খানেতে আছি
গাঙ্গের জলে ভাসিয়ে ডিংগা
ও আমি পদ্মাতে হই মাঝি
শংখ চিলের ভাসিয়ে ডানা
ও আমি দুই নদীতে নাচি
একই আশা ভালবাসা কান্না হাসির একই ভাষা।
দুঃখ সুখের বুকের মাঝে একই যন্ত্রনা
ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
আমায় যদি প্রশ্ন করে
আলো-নদীর এক দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কল-কাকলীর দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
এক সূর্যের হাজার আলোর কণা
ছড়িয়ে এই মাটি করলো অরূপ সোনা।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
মায়াবতী কোন দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
নব দিগন্তের নতুন চলার তিথি
মিলেছে এ জীবন সম্ভবনার গীতি।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কাব্য-গীতির কোন দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কল-কাকলীর দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
আলো-নদীর এক দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কল-কাকলীর দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
এক সূর্যের হাজার আলোর কণা
ছড়িয়ে এই মাটি করলো অরূপ সোনা।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
মায়াবতী কোন দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
নব দিগন্তের নতুন চলার তিথি
মিলেছে এ জীবন সম্ভবনার গীতি।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কাব্য-গীতির কোন দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
আমায় যদি প্রশ্ন করে
কল-কাকলীর দেশ
বলবো আমি বাংলাদেশ।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
তা থৈ তা থৈ থৈ দিমি দিমি দ্রম দ্রম ।।
ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে ।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।।
দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী
আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে ।।
সাজ রে সন্তান হিন্দু-মুসলমান
থাকে থাকিবে প্রাণ, না হয় যাইবে প্রাণ ।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
লইয়ে বিপদ হওরে আগোয়ান
নিতে হয় মুকুন্দেরে নিও রে সঙ্গে।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
তা থৈ তা থৈ থৈ দিমি দিমি দ্রম দ্রম ।।
ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে ।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।।
দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী
আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে ।।
সাজ রে সন্তান হিন্দু-মুসলমান
থাকে থাকিবে প্রাণ, না হয় যাইবে প্রাণ ।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
লইয়ে বিপদ হওরে আগোয়ান
নিতে হয় মুকুন্দেরে নিও রে সঙ্গে।।
ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে
মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে
আমাদের একই ভাষা আমাদের একই দেশ
আমাদের একই ভাষা আমাদের একই দেশ
সহজ সরল মায়া মমতায় নাইকো যার শেষ।।
চোখ জুড়ানো ঘন নিবিড় গ্রামের শ্যামলীমায়
উদাস মনটা পাল উড়ায় অলস পুবাল হাওয়ায়।
থেমে থেমে আনে মনে কি যে মধুর আবেশ
সেই সে দেশ বাংলাদেশ আমার আমার জন্মভুমি।।
ষড়ঋতুর নানার রকম লুকোচুরির খেলায়
জীবন সেথায় অফুরান রংধুনু সুখ ছড়ায়।
হাজার নদীর কলতানে কাটে না যে রেশ
সেই যে দেশ বাংলাদেশ আমার আমার জন্মভুমি।।
সহজ সরল মায়া মমতায় নাইকো যার শেষ।।
চোখ জুড়ানো ঘন নিবিড় গ্রামের শ্যামলীমায়
উদাস মনটা পাল উড়ায় অলস পুবাল হাওয়ায়।
থেমে থেমে আনে মনে কি যে মধুর আবেশ
সেই সে দেশ বাংলাদেশ আমার আমার জন্মভুমি।।
ষড়ঋতুর নানার রকম লুকোচুরির খেলায়
জীবন সেথায় অফুরান রংধুনু সুখ ছড়ায়।
হাজার নদীর কলতানে কাটে না যে রেশ
সেই যে দেশ বাংলাদেশ আমার আমার জন্মভুমি।।
জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো
জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো
এমন করে আকুল হয়ে
আমায় তুমি ডাকো।।
তোমার কথায় হাসতে পারি
তোমার কথায় কাঁদতে পারি
মরতে পারি তোমার বুকে
বুকে যদি রাখো মাগো।।
তোমার কথায় কথা বলি
পাখির গানের মতো
তোমার দেখায় বিশ্ব দেখি
বর্ণ কত শত।
তুমি আমার—খেলার পুতুল
আমার পাশে থাক মাগো।।
তোমার প্রেমে তোমার গন্ধে
পরান ভরে রাখি
এইতো আমার জীবন-মরণ
এমনি যেন থাকি।
বুকে তোমার—ঘুমিয়ে গেলে
জাগিয়ে দিও নাকো মাগো।।
এমন করে আকুল হয়ে
আমায় তুমি ডাকো।।
তোমার কথায় হাসতে পারি
তোমার কথায় কাঁদতে পারি
মরতে পারি তোমার বুকে
বুকে যদি রাখো মাগো।।
তোমার কথায় কথা বলি
পাখির গানের মতো
তোমার দেখায় বিশ্ব দেখি
বর্ণ কত শত।
তুমি আমার—খেলার পুতুল
আমার পাশে থাক মাগো।।
তোমার প্রেমে তোমার গন্ধে
পরান ভরে রাখি
এইতো আমার জীবন-মরণ
এমনি যেন থাকি।
বুকে তোমার—ঘুমিয়ে গেলে
জাগিয়ে দিও নাকো মাগো।।
একতারা তুই দেশের কথা
একতারা তুই দেশের কথা
বলরে এবার বল
আমাকে তুই বাউল করে, সঙ্গে নিয়ে চল
জীবন মরণ মাঝে, তোর সুর যেন বাজে।।
একটি কথা আমি শুধু বলে যেতে চাই
বাংলা আমার সুখে-দুখে হয় যেন গো ঠাই রে।।
একটি গান আমি শুধু গেয়ে যেতে চাই,
বাংলা আমার, আমি যে তার
আর তো চাওয়া নাই রে।।
প্রাণের প্রিয় তুমি, মোর সাধের জন্মভূমি
তোমায় বরণ করে
যেন যেতে পারি মরে।।
বলরে এবার বল
আমাকে তুই বাউল করে, সঙ্গে নিয়ে চল
জীবন মরণ মাঝে, তোর সুর যেন বাজে।।
একটি কথা আমি শুধু বলে যেতে চাই
বাংলা আমার সুখে-দুখে হয় যেন গো ঠাই রে।।
একটি গান আমি শুধু গেয়ে যেতে চাই,
বাংলা আমার, আমি যে তার
আর তো চাওয়া নাই রে।।
প্রাণের প্রিয় তুমি, মোর সাধের জন্মভূমি
তোমায় বরণ করে
যেন যেতে পারি মরে।।
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কত প্রাণ হল বলিদান,
লেখা আছে অশ্রুজলে ।।
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙ্গা
তাঁরা কি ফিরিবে আজ সু-প্রভাতে,
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।
যাঁরা স্বর্গগত তাঁরা এখনও জানেন
স্বর্গের চেয়ে প্রিয় জন্মভুমি
এসো স্বদেশ ব্রতের মহা দীক্ষা লভি
সেই মৃত্যুঞ্জয়ীদের চরণ চুমি।
যাঁরা জীর্ণ জাতির বুকে জাগালো আশা,
মৌন মলিন মুখে জোগালো ভাষা
আজি রক্ত কমলে গাঁথা মাল্যখানি
বিজয় লক্ষ্মী দেবে তাঁদেরই গলে।
শোনো একটি মুজিবরের থেকে
শোনো, একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
সেই সবুজের বুক চেরা মেঠো পথে,
আবার এসে ফিরে যাবো আমার
হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাবো।
শিল্পে কাব্যে কোথায় আছে হায় রে
এমন সোনার দেশ।
শোনো, একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
বিশ্বকবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ,
জীবনানন্দের রূপসী বাংলা
রূপের যে তার নেইকো শেষ, বাংলাদেশ।.
‘জয় বাংলা’ বলতে মনরে আমার এখনো কেন ভাবো,
আমার হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাবো,
অন্ধকারে পুবাকাশে উঠবে আবার দিনমণি।।
শোনো, একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
সেই সবুজের বুক চেরা মেঠো পথে,
আবার এসে ফিরে যাবো আমার
হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাবো।
শিল্পে কাব্যে কোথায় আছে হায় রে
এমন সোনার দেশ।
শোনো, একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
বিশ্বকবির সোনার বাংলা, নজরুলের বাংলাদেশ,
জীবনানন্দের রূপসী বাংলা
রূপের যে তার নেইকো শেষ, বাংলাদেশ।.
‘জয় বাংলা’ বলতে মনরে আমার এখনো কেন ভাবো,
আমার হারানো বাংলাকে আবার তো ফিরে পাবো,
অন্ধকারে পুবাকাশে উঠবে আবার দিনমণি।।
শোনো, একটি মুজিবরের থেকে
লক্ষ মুজিবরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি, প্রতিধ্বনি
আকাশে বাতাসে ওঠে রণি।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ।।
সোনা সোনা সোনা
সোনা সোনা সোনা
লোকে বলে সোনা
সোনা নয় তত খাঁটি
বলো যত খাঁটি
তার চেয়ে খাঁটি বাংলাদেশের মাটি রে
আমার জন্মভূমির মাটি।।
ধন জন মন যত ধন দুনিয়াতে
হয় কি তুলনা বাংলার কারো সাথে
কত মার ধন মানিক রতন
কত জ্ঞানী গুণী কত মহাজন
এনেছি আলোর সূর্য এখানে
আঁধারের পথ পাতি রে
আমার বাংলাদেশের মাটি
আমার জন্মভূমির মাটি।।
এই মাটির তলে ঘুমায়েছে অবিরাম
রফিক, শফিক, বরকত কত নাম
কত তিতুমীর, কত ঈশা খান
দিয়েছে জীবন, দেয় নি তো মান।।
রক্তশয্যা পাতিয়া এখানে
ঘুমায়েছে পরিপাটি রে
আমার বাংলাদেশের মাটি
আমার জন্মভূমির মাটি।।
লোকে বলে সোনা
সোনা নয় তত খাঁটি
বলো যত খাঁটি
তার চেয়ে খাঁটি বাংলাদেশের মাটি রে
আমার জন্মভূমির মাটি।।
ধন জন মন যত ধন দুনিয়াতে
হয় কি তুলনা বাংলার কারো সাথে
কত মার ধন মানিক রতন
কত জ্ঞানী গুণী কত মহাজন
এনেছি আলোর সূর্য এখানে
আঁধারের পথ পাতি রে
আমার বাংলাদেশের মাটি
আমার জন্মভূমির মাটি।।
এই মাটির তলে ঘুমায়েছে অবিরাম
রফিক, শফিক, বরকত কত নাম
কত তিতুমীর, কত ঈশা খান
দিয়েছে জীবন, দেয় নি তো মান।।
রক্তশয্যা পাতিয়া এখানে
ঘুমায়েছে পরিপাটি রে
আমার বাংলাদেশের মাটি
আমার জন্মভূমির মাটি।।
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজ জেগেছে এই জনতা, এই জনতা।।
তোমার গুলির, তোমার ফাঁসির,
তোমার কারাগারের পেষণ শুধবে তারা
ও জনতা এই জনতা এই জনতা।।
তোমার সভায় আমীর যারা,
ফাঁসির কাঠে ঝুলবে তারা।।
তোমার রাজা মহারাজা,
করজোরে মাগবে বিচার।।
ঠিক যেন তা এই জনতা।
তারা নতুন প্রাতে প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে।
তারা ক্ষুদিরামের রক্তে ভিজে প্রাণ পেয়েছে।।
তারা জালিয়ানের রক্তস্নানে প্রাণ পেয়েছে।।
তারা ফাঁসির কাঠে জীবন দিয়ে
প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে।।
গুলির ঘায়ে কলজে ছিঁড়ে প্রাণ পেয়েছে,
প্রাণ পেয়েছে এই জনতা।
নিঃস্ব যারা সর্বহারা তোমার বিচারে।
সেই নিপীড়িত জনগণের পায়ের ধারে।।
ক্ষমা তোমায় চাইতে হবে
নামিয়ে মাথা হে বিধাতা।।
রক্ত দিয়ে শুধতে হবে।
নামিয়ে মাথা হে বিধাতা।।
ঠিক যেন তা এই জনতা।
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজ জেগেছে এই জনতা, এই জনতা।।
আজ জেগেছে এই জনতা, এই জনতা।।
তোমার গুলির, তোমার ফাঁসির,
তোমার কারাগারের পেষণ শুধবে তারা
ও জনতা এই জনতা এই জনতা।।
তোমার সভায় আমীর যারা,
ফাঁসির কাঠে ঝুলবে তারা।।
তোমার রাজা মহারাজা,
করজোরে মাগবে বিচার।।
ঠিক যেন তা এই জনতা।
তারা নতুন প্রাতে প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে।
তারা ক্ষুদিরামের রক্তে ভিজে প্রাণ পেয়েছে।।
তারা জালিয়ানের রক্তস্নানে প্রাণ পেয়েছে।।
তারা ফাঁসির কাঠে জীবন দিয়ে
প্রাণ পেয়েছে, প্রাণ পেয়েছে।।
গুলির ঘায়ে কলজে ছিঁড়ে প্রাণ পেয়েছে,
প্রাণ পেয়েছে এই জনতা।
নিঃস্ব যারা সর্বহারা তোমার বিচারে।
সেই নিপীড়িত জনগণের পায়ের ধারে।।
ক্ষমা তোমায় চাইতে হবে
নামিয়ে মাথা হে বিধাতা।।
রক্ত দিয়ে শুধতে হবে।
নামিয়ে মাথা হে বিধাতা।।
ঠিক যেন তা এই জনতা।
বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা
আজ জেগেছে এই জনতা, এই জনতা।।
পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে
পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে
রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল
জোয়ার এসেছে জন-সমুদ্রে
রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল।।
বাঁধন ছেঁড়ার হয়েছে কাল,
হয়েছে কাল, হয়েছে কাল।।
শোষণের দিন শেষ হয়ে আসে
অত্যাচারীরা কাঁপে আজ ত্রাসে ।।
রক্তে আগুন প্রতিরোধ গড়ে
নয়া বাংলার নয়া সকাল,নয়া সকাল।
আর দেরি নয় উড়াও নিশান
রক্তে বাজুক প্রলয় বিষাণ
বিদ্যুৎ গতি হউক অভিযান
ছিঁড়ে ফেলো সব শত্রু জাল, শত্রু জাল।
রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল
জোয়ার এসেছে জন-সমুদ্রে
রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল।।
বাঁধন ছেঁড়ার হয়েছে কাল,
হয়েছে কাল, হয়েছে কাল।।
শোষণের দিন শেষ হয়ে আসে
অত্যাচারীরা কাঁপে আজ ত্রাসে ।।
রক্তে আগুন প্রতিরোধ গড়ে
নয়া বাংলার নয়া সকাল,নয়া সকাল।
আর দেরি নয় উড়াও নিশান
রক্তে বাজুক প্রলয় বিষাণ
বিদ্যুৎ গতি হউক অভিযান
ছিঁড়ে ফেলো সব শত্রু জাল, শত্রু জাল।
সুন্দর সুবর্ণ তারুন্য লাবন্য
সুন্দর সুবর্ণ তারুন্য লাবন্য
অপূর্ব রূপসী রূপেতে অনন্য।
আমার দু’চোখ ভরা স্বপ্ন
ও দেশ তোমারই জন্য।।
থাকবে নাতো দুঃখ দারিদ্র
বিভেদ-বেদনা-ক্রন্দন।।
প্রতিটি ঘরে একই প্রশান্তি
একই সুখের স্পন্দন।।
তোমার জন্য হবো দুরন্ত
তোমার জন্য শান্ত
প্রহরী হয়ে দেব পাহারা
যেথায় তোমার সীমান্ত।।
অপূর্ব রূপসী রূপেতে অনন্য।
আমার দু’চোখ ভরা স্বপ্ন
ও দেশ তোমারই জন্য।।
থাকবে নাতো দুঃখ দারিদ্র
বিভেদ-বেদনা-ক্রন্দন।।
প্রতিটি ঘরে একই প্রশান্তি
একই সুখের স্পন্দন।।
তোমার জন্য হবো দুরন্ত
তোমার জন্য শান্ত
প্রহরী হয়ে দেব পাহারা
যেথায় তোমার সীমান্ত।।
বাংলাদেশ, হতে পারে এই গরিবের দেশ
নিজের দেশ
হতে পারে এই গরিবের দেশ
হতে পারে অবহেলিদের দেশ
তবু যে আমার বাংলাদেশ
সবুজ দেশে
লাল টকটকে সূর্য ওঠে
দোয়েল কোয়েলের গানের সুরে
ভোরে আমার ঘুম ভাঙ্গে
বাংলাদেশ
মাগো যখন আমি তোমার কোলে
মনে পড়ে কানে বলেছিলে
এদেশ তোমারি দেশ, ভালবাসার বাংলাদেশ
ঘোরের হোক বুকের রক্ত ঢেলে সোনার দেশ
শত্রুর প্রলোভনে বিকিয়োনা ধরনি কেশ
কত উল্লাস কত আশা
শত মানুষের শত ভালবাসা
কত উল্লাস কত আশা
শত মানুষের শত ভালবাসা
কত উল্লাস কত আশা …
নিজেরই দেশ
এ আমার দুখিনী মায়ের দেশ
এ আমার নিপীড়িদের দেশ
তবু যে আমার বাংলাদেশ
পুকুর পাড়ে
পদ্মফুল আমি ফুটতে দেখে
বিনা তারে শুনি বাউল সুরে ওই
ধন্য আমার জন্ম কেশ
বাংলাদেশ
মাগো আমি তোমার সোনার ছেলে
আগুনে পুড়েছি দুযুগ ধরে
এদেশ রক্ত ভেজা অশ্রুভেযা বাংলাদেশ
আগলে রেখেছি মাগো শতো লোভে প্রলোভনে
আমি শত্রু চিনি মাগো তুমি ঘুমাও নির্ভয়ে।।
হতে পারে এই গরিবের দেশ
হতে পারে অবহেলিদের দেশ
তবু যে আমার বাংলাদেশ
সবুজ দেশে
লাল টকটকে সূর্য ওঠে
দোয়েল কোয়েলের গানের সুরে
ভোরে আমার ঘুম ভাঙ্গে
বাংলাদেশ
মাগো যখন আমি তোমার কোলে
মনে পড়ে কানে বলেছিলে
এদেশ তোমারি দেশ, ভালবাসার বাংলাদেশ
ঘোরের হোক বুকের রক্ত ঢেলে সোনার দেশ
শত্রুর প্রলোভনে বিকিয়োনা ধরনি কেশ
কত উল্লাস কত আশা
শত মানুষের শত ভালবাসা
কত উল্লাস কত আশা
শত মানুষের শত ভালবাসা
কত উল্লাস কত আশা …
নিজেরই দেশ
এ আমার দুখিনী মায়ের দেশ
এ আমার নিপীড়িদের দেশ
তবু যে আমার বাংলাদেশ
পুকুর পাড়ে
পদ্মফুল আমি ফুটতে দেখে
বিনা তারে শুনি বাউল সুরে ওই
ধন্য আমার জন্ম কেশ
বাংলাদেশ
মাগো আমি তোমার সোনার ছেলে
আগুনে পুড়েছি দুযুগ ধরে
এদেশ রক্ত ভেজা অশ্রুভেযা বাংলাদেশ
আগলে রেখেছি মাগো শতো লোভে প্রলোভনে
আমি শত্রু চিনি মাগো তুমি ঘুমাও নির্ভয়ে।।
যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে
যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে
লক্ষ মুক্তি সেনা
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না ।।
রোজ এখানে সূর্য ওঠে
আশার আলো নিয়ে
হৃদয় আমার ধন্য যে হয়
আলোর পরশ পেয়ে ।।
সে মাটি ছেড়ে অন্য কোথাও
যেতে বলিস না
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না।।
রক্তে যাদের জেগেছিল
স্বাধীনতার নিশা
জীবন দিয়ে রেখে গেছে
মুক্ত পথের দিশা
সে পথ ছেড়ে ভিন্ন পথে
যেতে বলিস না
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না।।
যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে
লক্ষ মুক্তি সেনা
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না ।।
লক্ষ মুক্তি সেনা
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না ।।
রোজ এখানে সূর্য ওঠে
আশার আলো নিয়ে
হৃদয় আমার ধন্য যে হয়
আলোর পরশ পেয়ে ।।
সে মাটি ছেড়ে অন্য কোথাও
যেতে বলিস না
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না।।
রক্তে যাদের জেগেছিল
স্বাধীনতার নিশা
জীবন দিয়ে রেখে গেছে
মুক্ত পথের দিশা
সে পথ ছেড়ে ভিন্ন পথে
যেতে বলিস না
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না।।
যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে
লক্ষ মুক্তি সেনা
দে না তোরা দে না
সে মাটি আমার
অঙ্গে মাখিয়ে দে না ।।
Thursday, 19 July 2012
তাকডুম তাকডুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল
তাকডুম তাকডুম বাজাই
আমি তাকডুম তাকডুম বাজাই
বাংলাদেশের ঢোল
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
বাংলা জনম দিলা আমারে ।।
তোমার পরান আমার পরান
এক নাড়িতে বাঁধা রে
মা-পুতের এ বাঁধন ছেড়ার
সাধ্য কারো নাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
মা তোমার মাটির সুরে সুরেতে ।।
আমার জীবন জুড়াইলা মাগো
বাউল ভাটিয়ালিতে
পরান খুইলা মেঘনা তিতাস
পদ্মারই গান গাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
বাজে ঢোল নরম গরম তালেতে
বিসর্জনের ব্যাথা ভোলায়
আগমনের সুরেতে
বাংলাদেশের ঢোলের বোলে
ছন্দ পতন নাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
আমি তাকডুম তাকডুম বাজাই
বাংলাদেশের ঢোল
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
বাংলা জনম দিলা আমারে ।।
তোমার পরান আমার পরান
এক নাড়িতে বাঁধা রে
মা-পুতের এ বাঁধন ছেড়ার
সাধ্য কারো নাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
মা তোমার মাটির সুরে সুরেতে ।।
আমার জীবন জুড়াইলা মাগো
বাউল ভাটিয়ালিতে
পরান খুইলা মেঘনা তিতাস
পদ্মারই গান গাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
বাজে ঢোল নরম গরম তালেতে
বিসর্জনের ব্যাথা ভোলায়
আগমনের সুরেতে
বাংলাদেশের ঢোলের বোলে
ছন্দ পতন নাই
সব ভুলে যাই
তাও ভুলি না বাংলা মায়ের কোল
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।।
যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা
যার নদী জল ফুলে ফুলে মোর স্বপ্ন আঁকা।
যে দেশের নীল অম্বরে মন মেলছে পাখা
সারাটি জনম সে মাটির টানে অস্ত্র ধরি।।
মোরা নতুন একটি কবিতা লিখতে যুদ্ধ করি―
মোরা নতুন একটি গানের জন্য যুদ্ধ করি
মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি
মোরা সারা বিশ্বের শান্তি বাঁচাতে আজকে লড়ি।।
যে নারীর মধু প্রেমেতে আমার রক্ত দোলে
যে শিশুর মায়া হাসিতে আমার বিশ্ব ভোলে
যে গৃহ কপোত সুখ স্বর্গের দুয়ার খোলে
সেই শান্তির শিবির বাঁচাতে শপথ করি।।
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।।
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।।
যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা
যার নদী জল ফুলে ফুলে মোর স্বপ্ন আঁকা।
যে দেশের নীল অম্বরে মন মেলছে পাখা
সারাটি জনম সে মাটির টানে অস্ত্র ধরি।।
মোরা নতুন একটি কবিতা লিখতে যুদ্ধ করি―
মোরা নতুন একটি গানের জন্য যুদ্ধ করি
মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি
মোরা সারা বিশ্বের শান্তি বাঁচাতে আজকে লড়ি।।
যে নারীর মধু প্রেমেতে আমার রক্ত দোলে
যে শিশুর মায়া হাসিতে আমার বিশ্ব ভোলে
যে গৃহ কপোত সুখ স্বর্গের দুয়ার খোলে
সেই শান্তির শিবির বাঁচাতে শপথ করি।।
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।।
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলায় গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর
বাংলা আমার জীবনানন্দ বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
আমি বাংলায় কথা কই, আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় চিত্কার
বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
আমি বাংলায় ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি
আমি যা’কিছু মহান বরণ করেছি বিনয় শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায়
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই
আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর
বাংলা আমার জীবনানন্দ বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
আমি বাংলায় কথা কই, আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় চিত্কার
বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
আমি বাংলায় ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি
আমি যা’কিছু মহান বরণ করেছি বিনয় শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায়
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
মাঝি নাও ছাইরা দে
মাঝি নাও ছাইরা দে
ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে
গা-রে মাঝি গা কোন গান।।
একদিন তোর নাও মাঝি
ভাসবে না রে নীল নদীতে রে
সেদিন তোর গান মাঝি
শুনবে না কেউ গাইবে না বলে-
ও মাঝি রে, ও কলের নৌকা কাইরা নিবে সুর।।
যন্ত্রের নাও ধোঁয়া ছাইরা
আঁধার করল নীল আকাশটারে, ও মাঝি রে-
সেদিন তোর নাও মাঝি
শূণ্য হয়ে থাকবে রে পরে-
ও মাঝি রে-
ও চল রে মাঝি যাইরে বহু দূর।।
ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে
গা-রে মাঝি গা কোন গান।।
একদিন তোর নাও মাঝি
ভাসবে না রে নীল নদীতে রে
সেদিন তোর গান মাঝি
শুনবে না কেউ গাইবে না বলে-
ও মাঝি রে, ও কলের নৌকা কাইরা নিবে সুর।।
যন্ত্রের নাও ধোঁয়া ছাইরা
আঁধার করল নীল আকাশটারে, ও মাঝি রে-
সেদিন তোর নাও মাঝি
শূণ্য হয়ে থাকবে রে পরে-
ও মাঝি রে-
ও চল রে মাঝি যাইরে বহু দূর।।
সূর্যদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি
সূর্যদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি
ও আমার বাংলাদেশ, প্রিয় জন্মভূমি।।
জলসিঁড়ি নদীর তীরে,
তোর খুশির কাঁকন যেন বাজে
ও—কাশবনে ফুলে ফুলে,
তোর মধুর বাসর যেন সাজে
তোর একতারা হায়,
করে বাউল আমায় সুরে সুরে।।
আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
তোর রাখাল হৃদয় যেন হাসে
ও—পদ্ম পাতা, দীঘির ঝিলে
তোর সোনার স্বপন যেন ভাসে
তোর এই আঙিনায়
ধরে রাখিস আমায় চিরতরে।।
ও আমার বাংলাদেশ, প্রিয় জন্মভূমি।।
জলসিঁড়ি নদীর তীরে,
তোর খুশির কাঁকন যেন বাজে
ও—কাশবনে ফুলে ফুলে,
তোর মধুর বাসর যেন সাজে
তোর একতারা হায়,
করে বাউল আমায় সুরে সুরে।।
আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
তোর রাখাল হৃদয় যেন হাসে
ও—পদ্ম পাতা, দীঘির ঝিলে
তোর সোনার স্বপন যেন ভাসে
তোর এই আঙিনায়
ধরে রাখিস আমায় চিরতরে।।
Subscribe to:
Posts (Atom)