কতদিন দেখিনি তোমায়
তবু মনে পড়ে তব মুখখানি
স্মৃতির মুকুরে মম আজ
তবু ছায়া পড়ে রানী
কতদিন দেখিনি তোমায়
কত দিন তুমি নাই কাছে,
তবু হৃদয়ের তৃষা জেগে আছে
প্রিয় যবে দূরে চলে যায়
সে যে আরও প্রিয় হয় জানি
কতদিন দেখিনি তোমায়
তবু মনে পড়ে তব মুখখানি
হয়ত তোমার দেশে আজ
এসেছে মাধবী রাতি
তুমি জোছনায় জাগিছো নিশি
সাথে লয়ে নতুন সাথী
হেথা মোর দীপ নেভা রাতে
নিদ নাহি দুটি আঁখি পাতে
প্রেম সে যে মরিচীকা হায়
এ জীবনে এই শুধু মানি
কতদিন দেখিনি তোমায়
তবু মনে পড়ে তব মুখখানি
স্মৃতির মুকুরে মম আজ
তবু ছায়া পড়ে রানী
কতদিন দেখিনি তোমায
Here u find the collection of bangla song lyrics-এইখানে আপনি পাবেন বাংলা জনপ্রিয় গানের লিরিক্স
Showing posts with label নজরুল গীতি. Show all posts
Showing posts with label নজরুল গীতি. Show all posts
Thursday, 23 May 2013
কতদিন দেখিনি তোমায |kotodin dekhini tomay lyrics
Friday, 20 July 2012
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
নাচিছে ঘূর্ণী বায়।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
দীঘির বুকে শতদল দলি’,
ঝরায়ে বকুল চাঁপার কলি,
চঞ্চল ঝর্ণার জল ছলছলি,
মাঠের পথে সে ধায়।।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
শুক্নো পাতার নুপুর পায়ে
নাচিছে ঘূর্ণী বায়।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
বনফুল-আভরণ খুলিয়া ফেলিয়া,
আলুথালু এলোকেশ গগনে মেলিয়া ।।
পাগলিনী নেচে যায় হেলিয়া দুলিয়া
ধূলি-ধূসর কায়।।
জল-তরঙ্গে ঝিল্মিল্ ঝিল্মিল্
ঢেউ তুলে সে যায়।।
ইরানী বালিকা যেন মরু-চারিণী
পল্লীর প্রান্তর-বন মনোহারিণী ।।
ছুটে আসে সহসা গৈরিক-বরণী
বালুকার উড়নী গায়।।
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
দুনিয়াদারীর শেষে আমার নামাজ রোজার বদলাতে
চাই নে বেহেশত খোদার কাছে।।
নিত্য মোনাজার করে।।
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে
কায়েস যেমন লায়লী লাগি লভিল মজনু খেতাব,
যেমন ফরহাদ শিরীর প্রেমে হলো দিওয়ানা বেতাব।।
বে-খুদীতে মশগুল আমি ।।
তেমনি মোর খোদার তরে।।
হায়…
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
পুড়ে মরার ভয় না রাখে, পতঙ্গ আগুনে ধায়,
সিন্ধুতে মেটে না তৃষ্ণা চাতক বারি বিন্দু চায়,
চকোর চাহে চাঁদের সুধা, চাঁদ সে আসমানে কোথায়
সুরুয থাকে কোন্ সুদূরে সূর্যমুখী তারেই চায়,
তেমনি আমি চাহি খোদায়, চাহিনা হিসাব ক’রে।।
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
দুনিয়াদারীর শেষে আমার নামাজ রোজার বদলাতে
চাই নে বেহেশত খোদার কাছে।।
নিত্য মোনাজার করে।।
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে
কায়েস যেমন লায়লী লাগি লভিল মজনু খেতাব,
যেমন ফরহাদ শিরীর প্রেমে হলো দিওয়ানা বেতাব।।
বে-খুদীতে মশগুল আমি ।।
তেমনি মোর খোদার তরে।।
হায়…
খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
পুড়ে মরার ভয় না রাখে, পতঙ্গ আগুনে ধায়,
সিন্ধুতে মেটে না তৃষ্ণা চাতক বারি বিন্দু চায়,
চকোর চাহে চাঁদের সুধা, চাঁদ সে আসমানে কোথায়
সুরুয থাকে কোন্ সুদূরে সূর্যমুখী তারেই চায়,
তেমনি আমি চাহি খোদায়, চাহিনা হিসাব ক’রে।।
এই রাঙামাটির পথে লো
এই রাঙামাটির পথে লো
মাদল বাজে বাজে বাঁশের বাঁশি
ও বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো
মন লাগে না কাজে লো
রইতে নারি ঘরে আমার
প্রাণ হলো উদাসী লো
মাদলীয়ার তালে তালে
অঙ্গ ওঠে দুলে লো
দোল লাগে শাল পিয়াল বনে
নতুন খোপার ফুলে লো
মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে
মাতাল চাঁদের হাসি লো
চোখে ভালো লাগে যাকে
তারে দেখবো পথের বাঁকে
তার চাচড় কেশে পড়িয়ে দেবো
ঝুমকো জবার ফুল লো
তার গলার মালার কুসুম কেড়ে
পড়বো কানের দুল
তার নাচের তালের ইশারাতে
বলবো ভালোবাসি লো
মাদল বাজে বাজে বাঁশের বাঁশি
ও বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো
মন লাগে না কাজে লো
রইতে নারি ঘরে আমার
প্রাণ হলো উদাসী লো
মাদলীয়ার তালে তালে
অঙ্গ ওঠে দুলে লো
দোল লাগে শাল পিয়াল বনে
নতুন খোপার ফুলে লো
মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে
মাতাল চাঁদের হাসি লো
চোখে ভালো লাগে যাকে
তারে দেখবো পথের বাঁকে
তার চাচড় কেশে পড়িয়ে দেবো
ঝুমকো জবার ফুল লো
তার গলার মালার কুসুম কেড়ে
পড়বো কানের দুল
তার নাচের তালের ইশারাতে
বলবো ভালোবাসি লো
বসন্ত মুখর আজি
বসন্ত মুখর আজি
দক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনে
বনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি’।।
অকারণ ভাষা তা’র ঝর ঝর ঝরে
মুহু মুহু কুহু কুহু পিয়া পিয়া স্বরে,
পলাশ বকুলে অশোক শিমুলে
সাজানো তাহার কল-কথার সাজি।।
দোয়েল, মধুপ বন-কপোত-কূজনে
ঘুম ভেঙে দেয় ভোরে বাসর শয়নে।
মৌনী আকাশ সেই বাণী-বিলাসে
অস্ত-চাঁদের মুখে মৃদু মৃদু হাসে।
বিরহ শীর্ণা গিরি-ঝরণার তীরে
পাহাড়ী বেণু হাতে ফেরে সুর ভাঁজি।।
দক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনে
বনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি’।।
অকারণ ভাষা তা’র ঝর ঝর ঝরে
মুহু মুহু কুহু কুহু পিয়া পিয়া স্বরে,
পলাশ বকুলে অশোক শিমুলে
সাজানো তাহার কল-কথার সাজি।।
দোয়েল, মধুপ বন-কপোত-কূজনে
ঘুম ভেঙে দেয় ভোরে বাসর শয়নে।
মৌনী আকাশ সেই বাণী-বিলাসে
অস্ত-চাঁদের মুখে মৃদু মৃদু হাসে।
বিরহ শীর্ণা গিরি-ঝরণার তীরে
পাহাড়ী বেণু হাতে ফেরে সুর ভাঁজি।।
মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম
মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম
ছিলাম নদীর চরে
যুগলরূপে এসেছি গো আবার মাটির ঘরে।।
তমাল তরু চাঁপা-লতার মত
জড়িয়ে কত জনম হ’ল গত
সেই বাঁধনের চিহ্ন আজো জাগে
জাগে হিয়ার থরে থরে।।
বাহুর ডোরে বেঁধে আজো ঘুমের ঘোরে যেন
ঝড়ের বন-লতার মত লুটিয়ে কাঁদ কেন
বনের কপোত কপোতাক্ষীর তীরে
পাখায় পাখায় বাঁধা ছিলাম নীড়ে
চিরতরে হ’ল ছাড়াছাড়ি
নিঠুর ব্যাধের শরে।।
ছিলাম নদীর চরে
যুগলরূপে এসেছি গো আবার মাটির ঘরে।।
তমাল তরু চাঁপা-লতার মত
জড়িয়ে কত জনম হ’ল গত
সেই বাঁধনের চিহ্ন আজো জাগে
জাগে হিয়ার থরে থরে।।
বাহুর ডোরে বেঁধে আজো ঘুমের ঘোরে যেন
ঝড়ের বন-লতার মত লুটিয়ে কাঁদ কেন
বনের কপোত কপোতাক্ষীর তীরে
পাখায় পাখায় বাঁধা ছিলাম নীড়ে
চিরতরে হ’ল ছাড়াছাড়ি
নিঠুর ব্যাধের শরে।।
কেন আনো ফুলোডোর
কেন আনো ফুলোডোর
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
কেন মেঘেরো স্বপন
আনো মরূরও চোখে
ভুলে দিও না কুসুম
যারে দিয়েছো হেলা
যবে শুকালো কানন
এলে বিঁধুর পাখি
লয়ে কাঁটা ভরা প্রান
একি নিঠুরও খেলা
যদি আকাশ কুসুম
পেলি চকিতে কবি
চলো চলো মুসাফির
ডাকে পারেরও বেলা
আছে বাহুরও বাঁধন
তব শয়ন সাথি
আমি এসেছি একা
আমি চলি একেলা
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
কেন মেঘেরো স্বপন
আনো মরূরও চোখে
ভুলে দিও না কুসুম
যারে দিয়েছো হেলা
যবে শুকালো কানন
এলে বিঁধুর পাখি
লয়ে কাঁটা ভরা প্রান
একি নিঠুরও খেলা
যদি আকাশ কুসুম
পেলি চকিতে কবি
চলো চলো মুসাফির
ডাকে পারেরও বেলা
আছে বাহুরও বাঁধন
তব শয়ন সাথি
আমি এসেছি একা
আমি চলি একেলা
কেন আনো ফুলোডোর
আজি বিদায়ও বেলা
মোছো মোছো আঁখিলোর
যোগী ভাঙ্গিলো মেলা
প্রজাপতি প্রজাপতি
প্রজাপতি প্রজাপতি
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
তুমি টুলটুলে বন-ফুলে মধু খাও
মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও,
ওই পাখা দাও সোনালী-রূপালী পরাগ মাখা।।
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে
প্রজাপতি, তুমি নিয়ে যাও সাথী করে তোমার সাথে।
তুমি হাইয়ায় নেচে নেচে যাও
আর তোমার মত মোরে আনন্দ দাও,
এই জামা ভাল লাগে না দাও জামা ছবি-আঁকা।।
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
প্রজাপতি প্রজাপতি
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
তুমি টুলটুলে বন-ফুলে মধু খাও
মোর বন্ধু হয়ে সেই মধু দাও,
ওই পাখা দাও সোনালী-রূপালী পরাগ মাখা।।
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
মোর মন যেতে চায় না পাঠশালাতে
প্রজাপতি, তুমি নিয়ে যাও সাথী করে তোমার সাথে।
তুমি হাইয়ায় নেচে নেচে যাও
আর তোমার মত মোরে আনন্দ দাও,
এই জামা ভাল লাগে না দাও জামা ছবি-আঁকা।।
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
প্রজাপতি প্রজাপতি
প্রজাপতি প্রজাপতি
কোথায় পেলে ভাই এমন রঙ্গীন পাখা
টুকটুকে লাল নীল ঝিলিমিলি আঁকাবাঁকা।।
এই শিকল পরা ছল
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
এই শিকল পরেই
শিকল তোদের করবো রে বিকল।।
তোদের বন্ধ কারায় আসা
মোদের বন্দী হতে নয়
ওরে ক্ষয় করতে আসা
মোদের সবার বাঁধন ভয়
এই বাঁধন পরেই বাঁধন ভয়কে
করব মোরা জয়
এই শিকল বাঁধা পা নয়
এ শিকল ভাঙ্গা কল।।
তোমরা বন্ধ ঘরের বন্ধনীতে করছ বিশ্ব গ্রাস
আর ত্রাশ দেখিয়ে করবে ভাবছ বিধির শক্তি গ্রাস ।।
সেই ভয় দেখানো ভু্তের মোরা করবো সর্বনাশ
এবার আনবো না হয় বিজয় মন্ত্র
বল হীরের দল
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
তোমরা ভয় দেখিয়ে করছ শাসন
জয় দেখিয়ে নয়
সেই ভয়ের টুটি ধরবো চেপে
করবো তারই লয় ।।
মোরা আসলি মরে
মরার দেশে আনবো পরাভয়
মোরা ফাসি পরেই আনবো হাসি
মৃত্যু জয়ের গল
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
ওরে ক্রন্দন নয় বন্ধন
এই শিকল ঝন ঝনা
এ যে মুক্তি পথের অগ্রদূতের
চরণ বন্দনা।
এই লাঞ্ছিতেরাই অত্যাচারকে
হানছে লাঞ্ছনা
ওদের অস্থি দিয়েই জ্বলবে দেশে
আবার বজ্রানল।
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
এই শিকল পরেই
শিকল তোদের করবো রে বিকল।।
তোদের বন্ধ কারায় আসা
মোদের বন্দী হতে নয়
ওরে ক্ষয় করতে আসা
মোদের সবার বাঁধন ভয়
এই বাঁধন পরেই বাঁধন ভয়কে
করব মোরা জয়
এই শিকল বাঁধা পা নয়
এ শিকল ভাঙ্গা কল।।
তোমরা বন্ধ ঘরের বন্ধনীতে করছ বিশ্ব গ্রাস
আর ত্রাশ দেখিয়ে করবে ভাবছ বিধির শক্তি গ্রাস ।।
সেই ভয় দেখানো ভু্তের মোরা করবো সর্বনাশ
এবার আনবো না হয় বিজয় মন্ত্র
বল হীরের দল
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
তোমরা ভয় দেখিয়ে করছ শাসন
জয় দেখিয়ে নয়
সেই ভয়ের টুটি ধরবো চেপে
করবো তারই লয় ।।
মোরা আসলি মরে
মরার দেশে আনবো পরাভয়
মোরা ফাসি পরেই আনবো হাসি
মৃত্যু জয়ের গল
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
ওরে ক্রন্দন নয় বন্ধন
এই শিকল ঝন ঝনা
এ যে মুক্তি পথের অগ্রদূতের
চরণ বন্দনা।
এই লাঞ্ছিতেরাই অত্যাচারকে
হানছে লাঞ্ছনা
ওদের অস্থি দিয়েই জ্বলবে দেশে
আবার বজ্রানল।
এই শিকল পরা ছল
মোদের এই শিকল পরা ছল
ভরিয়া প্রাণ শুনিতেছি গান
ভরিয়া প্রাণ শুনিতেছি গান
আসিবে আজ বন্ধু মোর।
স্বপন মাখিয়া সোনার পাখায়
আকাশে উধাও চিত-চকোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
হিজল বিছানো বন পথ দিয়া
রাঙায়ে চরণ আসিবে গো প্রিয়া।
নদীর পারে বন কিনারে
ইঙ্গিত হানে শ্যাম কিশোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
চন্দ্রচূড় মেঘের গায়
মরাল-মিথুন উড়িয়া যায়,
নেশা ধরে চোখে আলো-ছায়ায়
বহিছে পবন গন্ধ চোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
আসিবে আজ বন্ধু মোর।
স্বপন মাখিয়া সোনার পাখায়
আকাশে উধাও চিত-চকোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
হিজল বিছানো বন পথ দিয়া
রাঙায়ে চরণ আসিবে গো প্রিয়া।
নদীর পারে বন কিনারে
ইঙ্গিত হানে শ্যাম কিশোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
চন্দ্রচূড় মেঘের গায়
মরাল-মিথুন উড়িয়া যায়,
নেশা ধরে চোখে আলো-ছায়ায়
বহিছে পবন গন্ধ চোর।
আসিবে আজই বন্ধু মোর।।
আজো কাঁদে কাননে কোয়েলিয়া।
আজো কাঁদে কাননে কোয়েলিয়া।
চম্পা কুঞ্জে আজি গুঞ্জে ভ্রমরা-কুহরিছে পাপিয়া।।
প্রেম-কুসুম শুকাইয়া গেল হায়!
প্রাণ-প্রদীপ মোর হের গো নিভিয়া যায়,
বিরহী এসে ফিরিয়া।।
তোমারি পথ চাহি হে প্রিয় নিশিদিন
মালার ফুল মোর ধুলায় হ’ল মলিন
জনম গেল ঝুরিয়া।।
চম্পা কুঞ্জে আজি গুঞ্জে ভ্রমরা-কুহরিছে পাপিয়া।।
প্রেম-কুসুম শুকাইয়া গেল হায়!
প্রাণ-প্রদীপ মোর হের গো নিভিয়া যায়,
বিরহী এসে ফিরিয়া।।
তোমারি পথ চাহি হে প্রিয় নিশিদিন
মালার ফুল মোর ধুলায় হ’ল মলিন
জনম গেল ঝুরিয়া।।
অরুণকান্তি কেগো যোগী ভিখারী
অরুণকান্তি কেগো যোগী ভিখারী
অরুণকান্তি কেগো যোগী ভিখারী।
নীরবে হেসে দাঁড়াইলে এসে
প্রখর তেজ তব নেহারিতে নারি।।
রাস-বিলাসিনী আমি আহিরিণী
শ্যামল-কিশোর-রূপ শুধু চিনি
অম্বরে হেরি আজ একি জ্যোতি-পুঞ্জ?
হে গিরিজাপতি! কোথা গিরিধারী।।
সম্বর সম্বর মহিমা তব
হে ব্রজেশ ভৈরব! আমি ব্রজবালা,
হে শিব সুন্দর! বাঘছাল পরিহর-
ধর নটবর বেশ পর নীপমালা।
নব-মেঘ-চন্দনে ঢাকি’ অঙ্গগজ্যোতি
প্রিয় হ’য়ে দেখা দাও ত্রিভুবন-পতি,
পার্ব্বতী নহি আমি, আমি শ্রীমতী,
বিষাণ ফেলিয়া হও বাঁশরী-ধারী।।
অরুণকান্তি কেগো যোগী ভিখারী।
নীরবে হেসে দাঁড়াইলে এসে
প্রখর তেজ তব নেহারিতে নারি।।
রাস-বিলাসিনী আমি আহিরিণী
শ্যামল-কিশোর-রূপ শুধু চিনি
অম্বরে হেরি আজ একি জ্যোতি-পুঞ্জ?
হে গিরিজাপতি! কোথা গিরিধারী।।
সম্বর সম্বর মহিমা তব
হে ব্রজেশ ভৈরব! আমি ব্রজবালা,
হে শিব সুন্দর! বাঘছাল পরিহর-
ধর নটবর বেশ পর নীপমালা।
নব-মেঘ-চন্দনে ঢাকি’ অঙ্গগজ্যোতি
প্রিয় হ’য়ে দেখা দাও ত্রিভুবন-পতি,
পার্ব্বতী নহি আমি, আমি শ্রীমতী,
বিষাণ ফেলিয়া হও বাঁশরী-ধারী।।
নাম মুহাম্মদ বোল রে মন
নাম মুহাম্মদ বোল রে মন, নাম আহেম্মদ বোল
যে নাম নিয়ে চাঁদ সিতারা আসমানে খায় দোল।।
পাতায় ফুলে যে নাম আঁকা
ত্রিভুবনে যে নাম মাখা।
যে নাম নিয়ে হাসীন ঊষার রাঙ্গে রে কপোল।।
যে নাম গেয়ে ধায়রে নদী
যে নাম সদা গায় জলধি।
যে নাম বহে নিরবধি,
যে নাম বহে নিরবধি পবন হিল্লোল।।
যে নাম রাজে মরু সাহারায়
যে নাম বাজে শ্রাবন- ধারায়
যে নাম চাহে কাবার মসজিদ,
যে নাম চাহে কাবার মসজিদ মা আমিনার কোল।।
যে নাম নিয়ে চাঁদ সিতারা আসমানে খায় দোল।।
পাতায় ফুলে যে নাম আঁকা
ত্রিভুবনে যে নাম মাখা।
যে নাম নিয়ে হাসীন ঊষার রাঙ্গে রে কপোল।।
যে নাম গেয়ে ধায়রে নদী
যে নাম সদা গায় জলধি।
যে নাম বহে নিরবধি,
যে নাম বহে নিরবধি পবন হিল্লোল।।
যে নাম রাজে মরু সাহারায়
যে নাম বাজে শ্রাবন- ধারায়
যে নাম চাহে কাবার মসজিদ,
যে নাম চাহে কাবার মসজিদ মা আমিনার কোল।।
এল এ বনান্তে পাগল বসন্ত।
এল বনান্তে পাগল বসন্ত।
বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রে, চঞ্চল তরুণ দুরন্ত।
বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর পরজ বসন্তের সুর,
পান্ডু-কপোলে জাগে রং নব অনুরাগে
রাঙা হল ধূসর দিগন্ত।।
কিশলয়ে-পর্ণে অশান্ত ওড়ে তা’র অঞ্চল প্রাস্ত।
পলাশ-কলিতে তা’র ফুল-ধনু লঘু-ভার,
ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।
এলো মেলো দখিনা মলয় রে প্রলাপ বকিছে বনময় রে।
অকারণ মন মাঝে বিরহের বেণু বাজে।
জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।
বনে বনে মনে মনে রং সে ছড়ায় রে, চঞ্চল তরুণ দুরন্ত।
বাঁশীতে বাজায় সে বিধুর পরজ বসন্তের সুর,
পান্ডু-কপোলে জাগে রং নব অনুরাগে
রাঙা হল ধূসর দিগন্ত।।
কিশলয়ে-পর্ণে অশান্ত ওড়ে তা’র অঞ্চল প্রাস্ত।
পলাশ-কলিতে তা’র ফুল-ধনু লঘু-ভার,
ফুলে ফুলে হাসি অফুরন্ত।
এলো মেলো দখিনা মলয় রে প্রলাপ বকিছে বনময় রে।
অকারণ মন মাঝে বিরহের বেণু বাজে।
জেগে ওঠে বেদনা ঘুমন্ত।।
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি বাতাস হইয়া জড়াইব কেশে,
বেণী যাবে যবে খুলিতে।।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
তোমার সুরের নেশায় যখন
ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন,
রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আসিবে তোমার পরমোৎসবে কত প্রিয়জন কে জানে,
মনে প’ড়ে যাবে–কোন্ সে ভিখারী পায়নি ভিক্ষা এখানে।
তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে, হায়!
চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায়
দেখিবে, কে যেন ম’রে পরে আছে
তোমার পথের ধূলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি বাতাস হইয়া জড়াইব কেশে,
বেণী যাবে যবে খুলিতে।।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
তোমার সুরের নেশায় যখন
ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন,
রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আসিবে তোমার পরমোৎসবে কত প্রিয়জন কে জানে,
মনে প’ড়ে যাবে–কোন্ সে ভিখারী পায়নি ভিক্ষা এখানে।
তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে, হায়!
চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায়
দেখিবে, কে যেন ম’রে পরে আছে
তোমার পথের ধূলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
শূণ্য এ বুকে পাখি মোর আয়
শূণ্য এ বুকে পাখি মোর আয়
ফিরে আয় ফিরে আয়।
তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল
অকালে ঝরিয়া যায়।।
তুই নাই বলে ওরে উন্মাদ
পান্ডুর হলো আকাশের চাঁদ
কেঁদে নদী হলো করুণ বিষাদ
ডাকে আয় তীরে আয়।।
আকাশে মেলিয়া শত শতকর
খোঁজে তোরে তবু ওরে সুন্দর
তোর তরে বনে উঠিয়াছে ঝড়
লুটায় লতা ধূলায়।।
তুই ফিরে এলে ওরে চঞ্চল
আবার ফুটিবে বন ফুল দল
ধূসর আকাশ হইবে সুনীল
তোর চোখের চাওয়ায়।।
ফিরে আয় ফিরে আয়।
তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল
অকালে ঝরিয়া যায়।।
তুই নাই বলে ওরে উন্মাদ
পান্ডুর হলো আকাশের চাঁদ
কেঁদে নদী হলো করুণ বিষাদ
ডাকে আয় তীরে আয়।।
আকাশে মেলিয়া শত শতকর
খোঁজে তোরে তবু ওরে সুন্দর
তোর তরে বনে উঠিয়াছে ঝড়
লুটায় লতা ধূলায়।।
তুই ফিরে এলে ওরে চঞ্চল
আবার ফুটিবে বন ফুল দল
ধূসর আকাশ হইবে সুনীল
তোর চোখের চাওয়ায়।।
পদ্মার ঢেউ রে
পদ্মার ঢেউ রে
মোর শুণ্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা যারে।।
এই পদ্মে ছিলো রে যার রাঙা পা
এই পদ্মে ছিলো রে যার রাঙা পা
আমি হারায়েছি তারে
আমি হারায়েছি তারে।।
মোর পরাণও বধু নাই
পদ্মে তাই মধু নাই, নাইরে
পরাণও বধু নাই
পদ্মে তাই মধু নাই, নাইরে
বাতাস কাঁদে বাইরে
সে সুগন্ধ নাইরে
মোর রূপেরও সরষিতে, আনন্দ মৌমাছি।
নাহি ঝংকারে রে।।
ও পদ্মা রে, ঢেউয়ে তোর ঢেউ উঠায় যেমন চাঁদেরও আলো।
মোর বধুয়ার রূপ তেমনি ঝিলমিল করে কৃষ্ণ-কালো।
ও সে প্রেমেরও ঘাটে ঘাটে বাঁশি বাজায়।
যদি দেখিস তারে দিস সে পদ্ম তার পায়।
বলিস কেন বুকে আশার দেয়ালে জ্বালিয়ে
চলে গেলো চির অন্ধকারে।।
মোর শুণ্য হৃদয় পদ্ম নিয়ে যা যারে।।
এই পদ্মে ছিলো রে যার রাঙা পা
এই পদ্মে ছিলো রে যার রাঙা পা
আমি হারায়েছি তারে
আমি হারায়েছি তারে।।
মোর পরাণও বধু নাই
পদ্মে তাই মধু নাই, নাইরে
পরাণও বধু নাই
পদ্মে তাই মধু নাই, নাইরে
বাতাস কাঁদে বাইরে
সে সুগন্ধ নাইরে
মোর রূপেরও সরষিতে, আনন্দ মৌমাছি।
নাহি ঝংকারে রে।।
ও পদ্মা রে, ঢেউয়ে তোর ঢেউ উঠায় যেমন চাঁদেরও আলো।
মোর বধুয়ার রূপ তেমনি ঝিলমিল করে কৃষ্ণ-কালো।
ও সে প্রেমেরও ঘাটে ঘাটে বাঁশি বাজায়।
যদি দেখিস তারে দিস সে পদ্ম তার পায়।
বলিস কেন বুকে আশার দেয়ালে জ্বালিয়ে
চলে গেলো চির অন্ধকারে।।
Tuesday, 17 July 2012
নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল
নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল
ফুল নেব না অশ্রু নেব ভেবে হই আকুল।।
ফুল যদি নিই তোমার হাতে
জল রবে গো নয়ন পাতে
অশ্রু নিলে ফুটবে না আর প্রেমের মুকুল।।
মালা যখন গাঁথ তখন পাওয়ার সাধ যে জাগে
মোর বিরহে কাঁদ যখন আরও ভালো লাগে।
পেয়ে তোমায় যদি হারাই
দূরে দূরে থাকি গো তাই
ফুল ফোটায়ে যায় গো চলে চঞ্চল বুলবুল।।
ফুল নেব না অশ্রু নেব ভেবে হই আকুল।।
ফুল যদি নিই তোমার হাতে
জল রবে গো নয়ন পাতে
অশ্রু নিলে ফুটবে না আর প্রেমের মুকুল।।
মালা যখন গাঁথ তখন পাওয়ার সাধ যে জাগে
মোর বিরহে কাঁদ যখন আরও ভালো লাগে।
পেয়ে তোমায় যদি হারাই
দূরে দূরে থাকি গো তাই
ফুল ফোটায়ে যায় গো চলে চঞ্চল বুলবুল।।
চল চল চল
চল চল চল
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
আমরা টুটিব তিমির রাত
বাঁধার বিন্ধ্যা চল।।
নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব গোরস্থান
আমরা দানিব নতুন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল।।
চলরে নওজোয়ান, শোনরে পাতিয়া কান
মৃত্যু তোরণ দুয়ারে দুয়ারে জীবনের আহ্বান
ভাঙ্গরে ভাঙ্গ আগল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
ঊষার দুয়ারে হানি আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত
আমরা টুটিব তিমির রাত
বাঁধার বিন্ধ্যা চল।।
নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব গোরস্থান
আমরা দানিব নতুন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল।।
চলরে নওজোয়ান, শোনরে পাতিয়া কান
মৃত্যু তোরণ দুয়ারে দুয়ারে জীবনের আহ্বান
ভাঙ্গরে ভাঙ্গ আগল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
ঊর্দ্ধ গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী তল
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চলরে চলরে চল।।
চল চল চল
চল চল চল
চল চল চল
মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম
মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম
মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল,
মোরা বিধাতার মত নির্ভয়
মোরা প্রকৃতির মত স্বচ্ছল।।
মোরা আকাশের মত বাঁধাহীন
মোরা মরু সঞ্চার বেদুঈন,
বন্ধনহীন জন্ম স্বাধীন
চিত্তমুক্ত শতদল।।
মোরা সিন্ধু জোঁয়ার কলকল
মোরা পাগলা জোঁয়ার ঝরঝর।
কল-কল-কল, ছল-ছল-ছল।।
দিল খোলা খোলা প্রান্তর,
মোরা শক্তি অটল মহীধর।
হাসি গান শ্যাম উচ্ছল
বৃষ্টির জল বনফল খাই-
শয্যা শ্যামল বনতল।।
মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম
মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল,
মোরা বিধাতার মত নির্ভয়
মোরা প্রকৃতির মত স্বচ্ছল।।
মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল,
মোরা বিধাতার মত নির্ভয়
মোরা প্রকৃতির মত স্বচ্ছল।।
মোরা আকাশের মত বাঁধাহীন
মোরা মরু সঞ্চার বেদুঈন,
বন্ধনহীন জন্ম স্বাধীন
চিত্তমুক্ত শতদল।।
মোরা সিন্ধু জোঁয়ার কলকল
মোরা পাগলা জোঁয়ার ঝরঝর।
কল-কল-কল, ছল-ছল-ছল।।
দিল খোলা খোলা প্রান্তর,
মোরা শক্তি অটল মহীধর।
হাসি গান শ্যাম উচ্ছল
বৃষ্টির জল বনফল খাই-
শয্যা শ্যামল বনতল।।
মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম
মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল,
মোরা বিধাতার মত নির্ভয়
মোরা প্রকৃতির মত স্বচ্ছল।।
Subscribe to:
Posts (Atom)