বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ……!
বড় সঙ্কটে পড়িয়া এবার
ওগো দয়াল
বারে বার ডাকি তোমায়
ক্ষম ক্ষম অপরাধ……!
দাসের পানে একবার চাও হে দয়াময়
ক্ষম অপরাধ।
তোমারি ক্ষমতায় আমি
যা ইচ্ছে তাই কর তুমি ।।
রাখ মার সে নাম নামি ।।
ওগো দয়াল
তোমারি এই জগৎময়
পাপী অধম তরাইতে সাঁই
পতিত পাবন নাম শুনতে পাই ।।
সত্য মিথ্যা জানবো হেথায় ।।
ওগো দয়াল তরাইতে আজ আমায়
কসুর পেয়ে মার যারে
আবার দয়া হয় গো তারে ।।
লালন বলে এ সংসারে
অগো দয়াল
আমি কি তোমার কেহই নই
Here u find the collection of bangla song lyrics-এইখানে আপনি পাবেন বাংলা জনপ্রিয় গানের লিরিক্স
Showing posts with label লালন. Show all posts
Showing posts with label লালন. Show all posts
Friday, 20 July 2012
আমার হয় না রে সে মনের মত মন
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।।
কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
আমি জানবো কি সে রাগের কারণ
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।।
পড়ে রিপু ইন্দ্রিয় ভোলে
মন বেড়ায় রে ডালে আলে ।।
দুই মনে এক মন হইলে ।।
এড়াই শমন ।।
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
রসিক ভক্ত যারা মনে মন মিশালো তারা ।।
শাসন করে তিনটি ধারা ।।
পেল রতন
তারা পেল রতন
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
কবে হবে নাগিনী বস সাধবো কবে অমৃত-রস ।।
দরবেশ সিরাজ সাঁই কয়, বিষে বিনাশ ।।
হলি লালন ।।
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
ও কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
আমি জানবো কি সে রাগের কারণ
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।।
পড়ে রিপু ইন্দ্রিয় ভোলে
মন বেড়ায় রে ডালে আলে ।।
দুই মনে এক মন হইলে ।।
এড়াই শমন ।।
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
রসিক ভক্ত যারা মনে মন মিশালো তারা ।।
শাসন করে তিনটি ধারা ।।
পেল রতন
তারা পেল রতন
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
কবে হবে নাগিনী বস সাধবো কবে অমৃত-রস ।।
দরবেশ সিরাজ সাঁই কয়, বিষে বিনাশ ।।
হলি লালন ।।
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
ও কিসে জানবো সেই রাগের কারণ
হয় না রে সে মনের মত মন ।
আমার হয় না রে সে মনের মত মন ।
দিবানিশি থাকরে সব বা হুঁশিয়ারী
দিবানিশি থেক সব রে মন বা-হুঁশিয়ারী
রাছুল বলে ইয়ে দুনিয়া ।।
মিছে ঝাকমারী।
দিবানিশি থেক রে ও মন বা-হুঁশিয়ারী
দিবানিশি থেক রে থেক ও মন বা-হুঁশিয়ারী
পড়িও আউজবিল্লা
দূরে যাবে নানতুল্লা ।।
মুর্শিদরূপ করিলে হিল্লা ।।
শঙ্কা যায় তারই।।
দিবানিশি থেক রে সাধের মন বা-হুঁশিয়ারী
দিবানিশি থেক রে থেক ও মন সব বা-হুঁশিয়ারী
যাহের বাতেন ছপ ছফিনায়
পুছি দ্বার ভেদ দিলেম সিনায় ।।
অমনি মতন তোমার সবায়
বল সবারই।।
দিবানিশি থেক রে থেক সবে বা-হুঁশিয়ারী
অগত অভক্তজনা
তারে গুপ্ত ভেদ বইল না
বলিলে সে মানিবে না ।।
করবে অহংকারী।।
দিবানিশি থেক রে সবে মন সব বা-হুঁশিয়ারী
রাছুল বলে ইয়ে দুনিয়া ।।
মিছে ঝাকমারী।
দিবানিশি থেক রে ও মন বা-হুঁশিয়ারী
দিবানিশি থেক রে থেক ও মন বা-হুঁশিয়ারী
পড়িও আউজবিল্লা
দূরে যাবে নানতুল্লা ।।
মুর্শিদরূপ করিলে হিল্লা ।।
শঙ্কা যায় তারই।।
দিবানিশি থেক রে সাধের মন বা-হুঁশিয়ারী
দিবানিশি থেক রে থেক ও মন সব বা-হুঁশিয়ারী
যাহের বাতেন ছপ ছফিনায়
পুছি দ্বার ভেদ দিলেম সিনায় ।।
অমনি মতন তোমার সবায়
বল সবারই।।
দিবানিশি থেক রে থেক সবে বা-হুঁশিয়ারী
অগত অভক্তজনা
তারে গুপ্ত ভেদ বইল না
বলিলে সে মানিবে না ।।
করবে অহংকারী।।
দিবানিশি থেক রে সবে মন সব বা-হুঁশিয়ারী
আল্লাহ্ কে বোঝে তোমার অপার লীলা
আল্লাহ্ কে বোঝে তোমার অপার লীলা
কে বোঝে তোমার অপার লীলে।
তুমি আপনি আল্লাহ
ডাকো আল্লাহ বলে।
নিরাকারের তরে তুমি নুরী
ছিলে ডিম্ব অবতরী।
সাকারে সৃজন গড়লে ত্রিভুবন
আকারে চমৎকার ভাব দেখালে।
নিরাকার নিগম ধ্বনি
তাও তো সত্য সবাই জানি।।
তুমি আগমের ফুল নিগমে রসুল
আদমের ধড়ে জান হইলে।
আত্ম তত্ত্ব জানে যাঁরা
শাঁইর নিগূঢ় লীলা দেখছে তাঁরা।।
নীড় নিরঞ্জন অকৈথ্য সাধন ।।
লালন খুঁজে বেড়ায় বনজঙ্গলে।
কে বোঝে তোমার অপার লীলে।
তুমি আপনি আল্লাহ
ডাকো আল্লাহ বলে।
নিরাকারের তরে তুমি নুরী
ছিলে ডিম্ব অবতরী।
সাকারে সৃজন গড়লে ত্রিভুবন
আকারে চমৎকার ভাব দেখালে।
নিরাকার নিগম ধ্বনি
তাও তো সত্য সবাই জানি।।
তুমি আগমের ফুল নিগমে রসুল
আদমের ধড়ে জান হইলে।
আত্ম তত্ত্ব জানে যাঁরা
শাঁইর নিগূঢ় লীলা দেখছে তাঁরা।।
নীড় নিরঞ্জন অকৈথ্য সাধন ।।
লালন খুঁজে বেড়ায় বনজঙ্গলে।
এস হে অপারের কান্ডারি
এস হে অপারের কান্ডারি ।
পড়েছি অকূল পাথারে
দাও এসে চরণ তরী ।।
প্রাপ্ত পথ ভুলে হে এবার
ভবরোগে জ্বলবো কত আর ।।
তুমি নিজগুণে শ্রীচরণ দাও
তবে কূল পেতে পারি ।
ও আমি তবে কূল পেতে পারি ।
ছিলাম কোথা এলাম হেথা
আবার আমি যাই যেন কোথা ।।
তুমি মনোরথের সারথি হয়ে ।।
স্বদেশে নাও মনেরি ।।
পতিত পাবন নাম তোমার গো সাঁই
পাপী তাপী তাইতে দেয় দোহাই ।।
ফকির লালন বলে তোমা বিনে
ভরসা কারে করি ।।
পড়েছি অকূল পাথারে
দাও এসে চরণ তরী ।।
প্রাপ্ত পথ ভুলে হে এবার
ভবরোগে জ্বলবো কত আর ।।
তুমি নিজগুণে শ্রীচরণ দাও
তবে কূল পেতে পারি ।
ও আমি তবে কূল পেতে পারি ।
ছিলাম কোথা এলাম হেথা
আবার আমি যাই যেন কোথা ।।
তুমি মনোরথের সারথি হয়ে ।।
স্বদেশে নাও মনেরি ।।
পতিত পাবন নাম তোমার গো সাঁই
পাপী তাপী তাইতে দেয় দোহাই ।।
ফকির লালন বলে তোমা বিনে
ভরসা কারে করি ।।
পাবে সামান্যে কি তার দেখা!
পাবে সামান্যে কি তার দেখা!
(ওরে) বেদে নাই যার রূপ-রেখা।।
কেউ বলে, পরম মিষ্টি কারো না হইল দৃষ্টি ।।
বরাতে দুনিয়া সৃষ্টি ।।
তাই নিয়ে লেখাজোখা।
(ওরে) তাই নিয়ে লেখাজোখা।
নিরাকার ব্রহ্ম হয় সে সদাই ফেরে অচিন দেশে ।।
দোসর তাই নাইকো পাশে ।।
ফেরে সে একা একা।
(ওরে) ফেরে সে একা একা।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে মহাদেব, সে তুলনা কি আর দেবো ।।
লালন বলে, গুরু ভাবো
যাবে রে মনের ধোঁকা।
(ওরে) যাবে রে মনের ধোঁকা।।
(ওরে) বেদে নাই যার রূপ-রেখা।।
কেউ বলে, পরম মিষ্টি কারো না হইল দৃষ্টি ।।
বরাতে দুনিয়া সৃষ্টি ।।
তাই নিয়ে লেখাজোখা।
(ওরে) তাই নিয়ে লেখাজোখা।
নিরাকার ব্রহ্ম হয় সে সদাই ফেরে অচিন দেশে ।।
দোসর তাই নাইকো পাশে ।।
ফেরে সে একা একা।
(ওরে) ফেরে সে একা একা।
কিঞ্চিৎ ধ্যানে মহাদেব, সে তুলনা কি আর দেবো ।।
লালন বলে, গুরু ভাবো
যাবে রে মনের ধোঁকা।
(ওরে) যাবে রে মনের ধোঁকা।।
কী সন্ধানে যাই সেখানে
কী সন্ধানে যাই সেখানে
মনের মানুষ যেখানে ।
আঁধার ঘরে জ্বলছে বাতি
দিবারাতি নাই সেখানে ।।
যেতে পথে কামনদীতে
পাড়ি দিতে ত্রিবিনে ।।
কত ধনীর ভারা যাচ্ছে মারা ।।
পইড়ে নদীর তোড় তুফানে ।
দেখো পইড়ে নদীর তোড় তুফানে ।
রসিক যাঁরা চতুর তাঁরা
তাঁরাই নদীর ধারা চেনে ।।
উজান তরী যাচ্ছে বেয়ে ।।
তাঁরাই স্বরূপ সাধন জানে ।
ওরে তাঁরাই স্বরূপ সাধন জানে ।।
লালন বলে ম’লাম জ্বইলে
ম’লাম আমি নিশিদিনে ।।
আমি মনি হারা ফনির মতন ।।
হারা হলেম দিন নিধনে
আমি হারা হলেম দিন নিধনে ।
আঁধার ঘরে জ্বলছে বাতি
দিবারাতি নাই সেখানে ।।
দেখো দিবারাতি নাই সেখানে ।।
মনের মানুষ যেখানে ।
কী সন্ধানে যাই সেখানে
মনের মানুষ যেখানে ।
মনের মানুষ যেখানে ।
আঁধার ঘরে জ্বলছে বাতি
দিবারাতি নাই সেখানে ।।
যেতে পথে কামনদীতে
পাড়ি দিতে ত্রিবিনে ।।
কত ধনীর ভারা যাচ্ছে মারা ।।
পইড়ে নদীর তোড় তুফানে ।
দেখো পইড়ে নদীর তোড় তুফানে ।
রসিক যাঁরা চতুর তাঁরা
তাঁরাই নদীর ধারা চেনে ।।
উজান তরী যাচ্ছে বেয়ে ।।
তাঁরাই স্বরূপ সাধন জানে ।
ওরে তাঁরাই স্বরূপ সাধন জানে ।।
লালন বলে ম’লাম জ্বইলে
ম’লাম আমি নিশিদিনে ।।
আমি মনি হারা ফনির মতন ।।
হারা হলেম দিন নিধনে
আমি হারা হলেম দিন নিধনে ।
আঁধার ঘরে জ্বলছে বাতি
দিবারাতি নাই সেখানে ।।
দেখো দিবারাতি নাই সেখানে ।।
মনের মানুষ যেখানে ।
কী সন্ধানে যাই সেখানে
মনের মানুষ যেখানে ।
আপন ঘরের খবর লে না
অনায়াসে দেখতে পাবি
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।
আপন ঘরের খবর লে না।
অনায়াসে দেখতে পাবি
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।।
আমি
কোমল ফোটা কারে বলি
কোন মোকাম তার কোথায় গলি ।।
সেইখানে পইড়ে ফুলি
মধু খায় সে অলি জনা।।
সুখ্য জ্ঞান যার ঐক্য মুখ্য
সাধক এর উপলক্ষ ।।
অপরূপ তার বৃক্ষ
দেখলে চক্ষের পাপ থাকে না।।
শুষ্ক নদীর শুষ্ক সরোবর
তিলে তিলে হয় গো সাঁতার ।।
লালন কয়, কীর্তি-কর্মার
কি কারখানা।।
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।
আপন ঘরের খবর লে না।
অনায়াসে দেখতে পাবি
কোনখানে সাঁইর বারামখানা।।
আমি
কোমল ফোটা কারে বলি
কোন মোকাম তার কোথায় গলি ।।
সেইখানে পইড়ে ফুলি
মধু খায় সে অলি জনা।।
সুখ্য জ্ঞান যার ঐক্য মুখ্য
সাধক এর উপলক্ষ ।।
অপরূপ তার বৃক্ষ
দেখলে চক্ষের পাপ থাকে না।।
শুষ্ক নদীর শুষ্ক সরোবর
তিলে তিলে হয় গো সাঁতার ।।
লালন কয়, কীর্তি-কর্মার
কি কারখানা।।
যেখানে সাঁইর বারামখানা
শুনিলে প্রাণ চমকে উঠে
দেখতে যেমন ভুজঙ্গনা ।।
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যা ছুঁইলে প্রাণে মরি
এ জগতে তাইতে তরী
বুঝেও তা বুঝতে নারী
কীর্তিকর্মার কি কারখানা ।
আত্নতত্ত্ব যে জেনেছে
দিব্যজ্ঞানী সেই হয়েছে
কুবৃক্ষে সুফল পেয়েছে
আমার মনের ঘোর গেল না ।।
যে ধনে উৎপত্তি প্রাণধন
সে ধনের হল না যতন
অকালের ফল পাকায় লালন
দেখে শুনে জ্ঞান হল না ।।
দেখতে যেমন ভুজঙ্গনা ।।
যেখানে সাঁইর বারামখানা
যা ছুঁইলে প্রাণে মরি
এ জগতে তাইতে তরী
বুঝেও তা বুঝতে নারী
কীর্তিকর্মার কি কারখানা ।
আত্নতত্ত্ব যে জেনেছে
দিব্যজ্ঞানী সেই হয়েছে
কুবৃক্ষে সুফল পেয়েছে
আমার মনের ঘোর গেল না ।।
যে ধনে উৎপত্তি প্রাণধন
সে ধনের হল না যতন
অকালের ফল পাকায় লালন
দেখে শুনে জ্ঞান হল না ।।
সময় গেলে সাধন হবে না
সময় গেলে সাধন হবে না
দিন থাকতে দ্বীনের সাধন কেন জানলে না
তুমি কেন জানলে না
সময় গেলে সাধন হবে না
জানো না মন খালে বিলে
থাকে না মিল জল শুকালে ।।
কি হবে আর বাঁধা দিলে
মোহনা শুকনা থাকে, মোহনা শুকনা থাকে,
সময় গেলে সাধন হবে না
সময় গেলে সাধন হবে না
অসময়ে কৃষি কইরে মিছা মিছি খেইটে মরে
গাছ যদি হয় বীজের জোরে ফল ধরে না
তাতে ফল ধরে না,
সময় গেলে সাধন হবে না ।।
অমাবস্যায় পূর্নিমা হয়
মহা জোগ সে দিনের উদয় ।।
লালোন বলে তাহার সময়
দনডোমো রয় না, দনডোমো রয় না,দনডোমো রয় না
সময় গেলে সাধন হবে না
দিন থাকতে দ্বীনের সাধন কেন জানলে না
তুমি কেন জানলে না
সময় গেলে সাধোন হবে না
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
কেমনে আসে যায়
তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি
দিতাম পাখির পায়ে।
আট কুঠুরী নয়
দরজা আটা মধ্যে মধ্যে
ঝরকা কাঁটা
তার উপরে সদর কোঠা
আয়না মহল তায়ে।
কপালের ফের নইলে কি আর
পাখিটির এমন ব্যবহার
খাঁচা ভেঙ্গে পাখিয়ামার কোন খানে পালায়।
মন তুই রইলি খাঁচার আসে
খাঁচা যে তোর কাঁচা বাঁশের
কোন দিন খাঁচা পড়বে খসে
ফকির লালন কেঁদে কয়।
কেমনে আসে যায়
তারে ধরতে পারলে মন বেড়ি
দিতাম পাখির পায়ে।
আট কুঠুরী নয়
দরজা আটা মধ্যে মধ্যে
ঝরকা কাঁটা
তার উপরে সদর কোঠা
আয়না মহল তায়ে।
কপালের ফের নইলে কি আর
পাখিটির এমন ব্যবহার
খাঁচা ভেঙ্গে পাখিয়ামার কোন খানে পালায়।
মন তুই রইলি খাঁচার আসে
খাঁচা যে তোর কাঁচা বাঁশের
কোন দিন খাঁচা পড়বে খসে
ফকির লালন কেঁদে কয়।
আমি অপার হয়ে বসে আছি
আমি অপার হয়ে বসে আছি
ও হে দয়াময়,
পারে লয়ে যাও আমায়।।
আমি একা রইলাম ঘাটে
ভানু সে বসিল পাটে-
(আমি) তোমা বিনে ঘোর সংকটে
না দেখি উপায়।।
নাই আমার ভজন-সাধন
চিরদিন কুপথে গমন-
নাম শুনেছি পতিত-পাবন
তাইতে দিই দোহাই।।
অগতির না দিলে গতি
ঐ নামে রবে অখ্যাতি-
লালন কয়, অকুলের পতি
কে বলবে তোমায়।।
ও হে দয়াময়,
পারে লয়ে যাও আমায়।।
আমি একা রইলাম ঘাটে
ভানু সে বসিল পাটে-
(আমি) তোমা বিনে ঘোর সংকটে
না দেখি উপায়।।
নাই আমার ভজন-সাধন
চিরদিন কুপথে গমন-
নাম শুনেছি পতিত-পাবন
তাইতে দিই দোহাই।।
অগতির না দিলে গতি
ঐ নামে রবে অখ্যাতি-
লালন কয়, অকুলের পতি
কে বলবে তোমায়।।
মিলন হবে কত দিনে
মিলন হবে কত দিনে
আমার মনের মানুষের সনে।।
চাতক প্রায় অহর্নিশি
চেয়ে আছি কালো শশী
হব বলে চরণ-দাসী,
ও তা হয় না কপাল-গুণে।।
মেঘের বিদ্যুৎ মেঘেই যেমন
লুকালে না পাই অন্বেষণ,
কালারে হারায়ে তেমন
ঐ রূপ হেরি এ দর্পণে।।
যখন ও-রূপ স্মরণ হয়,
থাকে না লোক-লজ্জার ভয়-
লালন ফকির ভেবে বলে সদাই
(ঐ) প্রেম যে করে সে জানে।।
আমার মনের মানুষের সনে।।
চাতক প্রায় অহর্নিশি
চেয়ে আছি কালো শশী
হব বলে চরণ-দাসী,
ও তা হয় না কপাল-গুণে।।
মেঘের বিদ্যুৎ মেঘেই যেমন
লুকালে না পাই অন্বেষণ,
কালারে হারায়ে তেমন
ঐ রূপ হেরি এ দর্পণে।।
যখন ও-রূপ স্মরণ হয়,
থাকে না লোক-লজ্জার ভয়-
লালন ফকির ভেবে বলে সদাই
(ঐ) প্রেম যে করে সে জানে।।
জাত গেল জাত
জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজি
সবি দেখি তা না-না-না।।
আসবার কালে কি জাত ছিলে
এসে তুমি কি জাত নিলে,
কি জাত হবা যাবার কালে
সে কথা ভেবে বল না।।
ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি
এক জলেই সব হয় গো শুচি,
দেখে শুনে হয় না রুচি
যমে তো কাকেও ছাড়বে না।।
গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়,
তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়।
লালন বলে জাত কারে কয়
এ ভ্রম তো গেল না।।
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজি
সবি দেখি তা না-না-না।।
আসবার কালে কি জাত ছিলে
এসে তুমি কি জাত নিলে,
কি জাত হবা যাবার কালে
সে কথা ভেবে বল না।।
ব্রাহ্মণ চন্ডাল চামার মুচি
এক জলেই সব হয় গো শুচি,
দেখে শুনে হয় না রুচি
যমে তো কাকেও ছাড়বে না।।
গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়,
তাতে ধর্মের কি ক্ষতি হয়।
লালন বলে জাত কারে কয়
এ ভ্রম তো গেল না।।
Subscribe to:
Posts (Atom)