Here u find the collection of bangla song lyrics-এইখানে আপনি পাবেন বাংলা জনপ্রিয় গানের লিরিক্স
Wednesday, 27 March 2013
Valobasa megh- ভালবাসা মেঘ
বৃষ্টির নাম জল হয়ে যায়
জল উড়ে উড়ে আকাশের গায়ে
ভালবাসা নিয়ে বৃষ্টি সাজায়
ইচ্ছেগুলো ভবঘুরে হয়ে,
চেনা অচেনা হিসেব মেলা
ভালবাসা তাই ভিজে একাকার
ভেজা মন থাক রোদের আশায়
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
চুপি চুপি রোদ, উঁচু নীচু মেঘ,
সারি সারি গাড়ি
দূরে দূরে বাড়ি.........
নিভু নিভু আলো,চুপচাপ সব, কনকন
শীতে
ছমছম ভয়......
সংলাপ সব পড়ে থাক, বৃষ্টিতে মন
ভিজে যাক
ভালবাসা মেঘ হয়ে যাক
ঘূরে ঘূরে যদি, দূরে দূরে তবু,
মেঘে মেঘে থাক ভালবাসা
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
মেঘ ঝড়ে ঝড়ে, জল উড়ে উড়ে
ভালবাসা তাই ভেজা মন থাক (২)
ভালবাসা তাই ভিজে একাকার,
ভেজা মন থাক রোদের আশায়
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
ঝিরিঝিরি হাওয়া, কৃষ্ণচূড়ায়
লাল লাল
ফুলে ছুটে ছুটে চলা,.........
আধো আলো ছায়া, গুনগুন গাওয়া
পুরোনো দিনের গল্প বলা........
সংলাপ সব পড়ে থাক, বৃষ্টিতে মন
ভিজে যাক
ভালবাসা মেঘ হয়ে যাক
ঘরে ফেরা পথে, নিরবে নিভৃতে,
মেঘে মেঘে থাক ভালবাসা
ইচ্ছে হলে ভালবাসিস, না হয় থাকিস
যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল।
Wednesday, 26 December 2012
ইচ্ছে ঘুড়ি
এই হাওয়ায় ওড়াও তুমি, তোমার যত
ইচ্ছে ঘুড়ি
চুপি চুপি মেঘের মেলা, তোমার আকাশ
করছে চুরি
সূর্য বসাও আকাশের নীল, ইচ্ছের রঙ
গোলাপী হলে
দিগন্ত রেখায় সূর্য নামে, ব্যস্ত সময়
যাচ্ছে চলে।
হঠাৎ খেয়ালী এ ঝড়ো হাওয়ায়,
উড়ছে তোমার ইচ্ছে ঘুড়ি
ওড়াও ওড়াও সুতোর টানে,
আকাশের নীল যাচ্ছে চুরি।
শুভ্র সেই মেঘের ভীড়ে, তোমার সব
ইচ্ছে ওড়ে।
আকাশ খেয়ালী মনে, হারায় কিছুই
না জেনে।
তোমার সুতোয় বাঁধা আকাশ,
ঝড়ো হাওয়ায় রঙ হারালে
নির্বাক। ইচ্ছে। আচমকা।
দিশেহারা......
এই আলোয় হাঁটছো একা, সঙ্গী কর আমায়
তুমি।
বেয়াড়া যত মেঘের ছায়া,
করছে চুরি স্বপ্নভূমি
নীলের আকাশ গোলাপী হলে,
ইচ্ছে ঘুড়ি যাচ্ছে চলে
সূতোর বাঁধা ছাড়িয়ে আকাশ, অন্য ভূবন
দেখবে বলে।
হঠাৎ খেয়ালী এ ঝড়ো হাওয়ায়,
ভাঙছে তোমার মেঘলা রেখা
ওড়াও ওড়াও সুতোর টানে,
আকাশ আবার হবে যে দেখা ।
গোধূলী
দিগন্ত জুড়ে নিলীমার মাঝে
পলাতক সময় করে পরিহাস
স্তব্ধ নিঃশ্বাস দূরে ঠেলে
আসি আমি ফিরে বারেবার।
ছুঁয়ে যাই আবারও হারাই
একই আকাশের গোধূলী
অনন্ত পতন, অনন্ত সময়
একই ভাঙ্গনের কথা একই পথ,
আমারই জন্যে সহস্র সূর্য
দেবে একই আলো চিরকাল।
ছুঁয়ে যাই আবারও হারাই
একই আকাশের গোধূলী
আমি বুঝিনা কেন,
একই মাটিতে কেন এত রক্তের
রং খেলা।
আমি জানিনা কেন,
একই মানুষের একই স্পর্শে কেন এত
ছোঁয়া।
আমি হারিয়ে যাই এ মায়াজালে,
পরাধীনতার এ বাঁধনে,
তবু যেতে চাই স্বপ্নের আলোয়,
সকল আঁধার ভেঙ্গে আলো ছায়ায়
ছুঁয়ে যাই আবারও হারাই
একই আকাশের গোধূলী
Wednesday, 25 July 2012
বাস স্টপেজ
বাস স্টপেজ…… ফুলস্টপ হয়ে দাঁড়িয়ে
বুকে জমা পোষ্টার- আর্ট গ্যালারির মতো উদাসীন
বখাটে কারো সেল নাম্বার- বিজ্ঞাপন হয়ে বিব্রত
কড়া পারফিউম অযথা সুবাস বাতাসে
ক্লান্তিহীন ছুটছে কিছু বিরতিহীন বাস
চকচকে পিচে বেরসিক বৃষ্টি নাম লিখে গেছে
সন্ধানী হকার খুঁজে বেড়ায় গাড়ীযাত্রী কোনো হাসিমুখ
এই সন্ধায়, রাস্তায়, দাঁড়িয়ে আছে
কিছু স্বপ্ন বিক্রি করে যারা
জানলোনা কিছুতেই, ঝুলছে আকাশভরা তারা ।।
কিশোরীর হাতে ফুলের সুবাস, ছুঁয়ে দিতে চায় চকচকে গ্লাস
বৃষ্টির ছাঁটে ভেজা পলিথিন, মিরপুর যাবে বিরতিহীন
বিবর্ণ ঠোঁটে সাইনবোর্ড হাসি, বলছে প্রেমিকা “তোমায় ভালবাসি”
চাক্ষুস সাক্ষী রাস্তার মোড়ে, নার্সারি ছারিয়ে একটু দূরে
বিজ্ঞাপন হয় এক্স সুন্দরী
বাস স্টপেজে আসে ইচ্ছে ঘুড়ি
বিক্রি হয় কতো কমিক কমিক সিরিজ
উদাস বিজ্ঞাপনে কাঁটে পণ্য রিলিজ
এই সন্ধায়, রাস্তায়, দাঁড়িয়ে আছে
কিছু স্বপ্ন বিক্রি করে যারা
জানলোনা কিছুতেই, ঝুলছে আকাশভরা তারা ।।
সুপ্রভাত
আমাদের কেউ কেউ উচ্ছাসে, এই শুভ্র সকালে
ধুলোমাখা পথঘাট, ধুলোমাখা শরীর
ধুলোয় ধূসর আমরা ক’জন
এই সকালে, রাস্তায় হাঁটছি ……
সুপ্রভাত একদিন আমাদের ……
দ্বিধাহীন ভোর আসে, ফুটপাতে
ধুলোময় দোকানে খবরের কাগজে ……
খেয়ালী কোলাহলে জমে ওঠে
শহরের রাজপথে যান্রিক কোন সুরে
এই ঝড়ো সংলাপে,
এই সুপ্রভাত, রুক্ষ চায়ের কাপে ……
একদিন হাঁটছি আমরা ক’জন
আমাদের কেউ কেউ উচ্ছাসে, এই রোদেলা দুপুরে
ধুলোমাখা পথঘাট, ধুলোমাখা শরীর
ধুলোয় ধূসর আমরা ক’জন
ঠিক দুপুরে, রাস্তায় হাঁটছি ……
৩
সুপ্রভাত একদিন আমাদের
পরিচয়
খাঁচার পাখি কখন কি আর
মনের পাখি হয় ?
তোমার আমার এই পরিচয়
সত্যি কি আর হয়।
কথায় কথায় মনের ছায়া, মিথ্যে আশায় দিচ্ছে মায়া
অবাক আলোয় বনের পাখি, মনের কথা কয়
বনের পাখি খাঁচায় থাকে, এমন কি আর হয়
তোমার আমার এই পরিচয়
সত্যি কি আর হয়।
লালন বলে খাঁচার কি দোষ, দুয়ার থাকলে খোলা
মনের দুয়ার বন্ধ হলে, সময় যে সব যাবে চলে
লোহার খাঁচার ছোট্ট ঘরে
কোন পাখি কি আর রয় ?
আট কুঠুরি নয় দরজা, সে তো খোলার নয় ……
তোমার আমার এই পরিচয়
সত্যি হবার নয়।
বাংলাদেশ
যখন রং তুলিতে আঁকা বাংলার মুখ অবিরাম
যখন গাই এখানেই শুধু শরতের রং এ হয় শেষ
সেই শুভ্র কাঁশফুল ঘিরে দেখে যাই সবুজের দেশ
মেঘে মেঘে, কিছু ভেজা পাখির দল
মেঘ হারিয়ে, নীল ছাড়িয়ে, খুঁজে ফেরে বাংলাদেশ
যেখানে লাল সূর্যের রংয়ে রাজপথে মিছিল
যেখানে কুয়াশার চাঁদর আকাশ থাকে নীল
যেখানে রিম ঝিম বৃষ্টি শুকনো মাটির টানে
অবিরাম ঝড়ে সবুজ সাজায় ……
মেঘে মেঘে, কিছু ভেজা পাখির দল
মেঘ হারিয়ে, নীল ছাড়িয়ে, খুঁজে ফেরে বাংলাদেশ
যখন এক চোখে ঘুম ঘুম, এক চোখে নীল রাত
আমায় ভাবিয়ে যায়
যখন এক হাতে রোদ্দুর এক হাতে গোলাপ
সবুজ ছুঁয়ে ভাবায় আমায়
একদিকে নীল নীল, এক দিকে কাঁশফুল, দু’চোখ যেখানে শেষ
এক প্রান্তে সবুজ, এক প্রান্তে লাল,
আমার বাংলাদেশ ……
বরষা
ঝরছে জলধারা,জানিনা, জানিনা-কাটবে কি ঘনঘটা।অনুনয় মানেনা
অবারিত মনকথা,জানিনা, জানিনা-থামবে কি ঘনঘটা।নির্ঝর গগনে, অপলক চেয়ে রই
বিস্মৃত কবিতা, আনকা পবনে-
মেঘলা কবেকার স্মৃতিময় বাতায়ন
বলে যায় “তোমায় অনব ভালবাসি”।দিপীকা সায়রে
অনিমেষ চেয়ে রই
মিথিলা বরষা, অলোক দহনে-
মেঘলা কবেকার স্মৃতিময় বাতায়ন
বলে যায় “তোমায় অনব ভালবাসি”।
বরষা মানেনা
ঝরছে জলধারা……
পাখি
শীষ দিয়ে গান গায় ধূসর খেয়ালে
তার ফেলে যাওয়া আনমনা শীষ, এই শহরের সব রাস্তায়
ধোঁয়াটে বাতাসে, নালিশ রেখে যায়।।
আমি দেখিনি, আমি শুনিনি, আমি বলিনি অনেক কিছু
জানিনি, আমি বুঝিনি, তবু ছুটেছি তোমার পিছু
পাখি আনমনা বসে দেয়ালে, পাখি নির্বাক চোখ রাস্তায়,
ধোঁয়াটে শহরের উষ্ণতা বাড়েনা,
তার আনমনা চোখ, অবুঝ চোখ মনের দরজায়, আঙুল রাখেনা।
কিছু সুর তুমি এনে দাও পাখি নাগরিক কোলাহলে
তুমি গান গাও, তুমি শীষ দাও এই শহুরে দেয়ালে
তুমি ভুলে যাও এই শহরের যত ব্যস্ত জনকথা
আমি এসেছি তোমার কাছে এনে দাও স্বাধীনতা।
দেখিনি, আমি শুনিনি, আমি বলিনি অনেক কিছু
জানিনি, আমি বুঝিনি, তবু ছুটেছি তোমার পিছু
আমি দেখিনি, আমি শুনিনি, আমি বলিনি অনেক কিছু
আমি জানিনি, আমি বুঝিনি, তবু ছুটেছি…… তোমার পিছু।
ক্যাফেটেরিয়া
পড়ন্ত বিকেল ক্যাফেটেরিয়া
উঁকি দিয়ে দেখি,
এক কাপ চা, গরম তৃষ্ণায়
অজস্র এলোমেলো শব্দের ভীড়ে
তোমার শীতল চোখ ভিজিয়ে যায় আমায়।
যেখানে তোমার ঠোঁট ভালবাসা
আমি বুড়ো কবিতার মত চুপচাপ।
যেখানে তোমার চোখ খুনী
আমি খুন হই…… প্রতিদিন।
স্বদেশ
“এসো, নাও নূতন ভোরের আলো”
দিয়েছিলে শতাব্দীর অবগাহন,
এক মুক্ত সময়ের আহবান।
বলেছিলে তুমি আমায়
“জাগো, শোনো আমার কন্ঠনিষাদ”
দিয়েছিলে অভ্র কোনদিনে,
রোদ গন্ধমাখা জীবন।
বলেছিলে “অপেক্ষা কর, জেনো,
কাটবেই কৃষ্ণপ্রহর”
তবু জেগে দেখি কাঁদছে মানুষ
পুড়ছে আমার স্বদেশ।
আর একটিবার তোমায়
দেখতে চাই, দেখতে চাই।
জেনে রেখো অন্ধকার কোনো কালে হারিয়েছি
আমার অতীত
কবে পাবো অর্থময় নীরবতা,
কবে আসবে স্বাধীনতা।
কবে পাবো নীরজা তোমায়, আসবে আলোক প্রহর-
তবু জেগে দেখি কাঁদছে মানুষ, পুড়ছে আমার স্বদেশ
আর একটিবার তোমায় দেখতে চাই, দেখতে চাই।
আঁধার ভাঙা স্বপ্ন হতে জাগাই
তুমি আসবে বলে মহাকাল স্তব্ধ
কাদের তরে আমার বাঁচা, আমার লড়াই
এখনো তোমার প্রিয়মুখ আমায় বাঁচায়
জানি মুক্তি তোমাতে।
ভবঘুরে ঝড়
নিঃশ্বাস নিয়ে একটু দাঁড়িয়ে
চারিপাশে বিমূর্ত রেখায়,
আমি, ভবঘুরে ঝড়, তোমাদের খুব কাছে
ছায়া হয়ে যাই,
তোমাদের ভালোবাসা……
শনশন উত্তাল হাওয়ায়,
চৌরাস্তার ল্যাম্পপোস্ট হাঁপায়
এক কাপ গরম চায়ে,
আমি, ভবঘুরে ঝড়,
তোমাদের খুব কাছে
ভিজে একাকার,
তোমাদের ভালোবাসা……
কখনো তোমাদের অজানা জানায়
বাউন্ডুলে ঝড় আমায় ভাবায়……
তোমাদের ছায়ায়,
নির্বাক ভালোবাসা
আমি আজন্ম ভবঘুরে……
ঝড় নিয়ে আসি।
রূপসী নগর
তোমাদের এই অচিন নগরে
সহসা ধূসর ধুলোর ভীড়ে
অচেনা রূপসী নগরে……
আবার হতে পারে দেখা।
আবার হবে কথা,
অনেকের এই প্রিয় নগরে
অনেক হারাবার প্রান্তরে
অজানা রূপসী নগরে……
আবার হতে পারে দেখা।
রূপসী উষ্ণ এ পথে,
নির্বাক সব কথার ভীড়ে
ধূলোয় ধুলো প্রান্তরে,
দেখা আবার হতে পারে
হেঁটে যাই আমি।
ধূসর ছাড়িয়ে।
দেখা হবে সবুজ আশায়……
নিঃসঙ্গ
বিবর্ণ রাত্রি কাটে বিমূর্ত সময়
প্রার্থনা তোমার হারিয়ে যায় অন্ধকারে
স্তব্ধ এই বদ্ধঘরে অস্পষ্ট স্বরে
নিঃসঙ্গ একা তুমি
ক্লান্ত… জীর্ন তুমি
অন্ধ দেয়াল জুড়ে
দুঃস্বপ্ন আছড়ে পড়ে।
পারবে কি ভেঙে দিতে এই দেয়াল?
পারবে কি ছেড়ে যেতে এই বাঁধন?
ধূলোমাখা জানালার আলো ছাড়িয়ে
পারবে কি ফিরে যেতে আবার?
আর্তনাদ তোমার বিদগ্ধ এ মন জুড়ে
প্রতিধ্বনি করে চুপিসারে
স্বপ্নগুলো কেন জড়িয়ে যায়ে এ মায়াজালে
দুঃসহ যন্ত্রনাতে, অশান্ত ঝড়ে
নিঃসঙ্গ একা তুমি
ক্লান্ত… জীর্ন তুমি
অন্ধ দেয়াল জুড়ে
দুঃস্বপ্ন আছড়ে পড়ে।
অন্যকেউ
যেখানে অবিরত ভেঙে পড়ে সময়;
আমি না অন্যকেউ নীরবে বাঁচে
রক্তসিদুঁর আঁকে যেথা নবআশা;
আমি না অন্যকেউ নিয়ে যায়
আমার কন্ঠ হতে প্রতিবাদ প্রলয়।
তুমি না অন্যকেউ মোর শয্যাতে
জেগে দেখি পূব কোনে তমসা ক্ষয়
তুমি না অন্যকেউ ফিরে আসে আর
ডেকে তোলে বৃত্তবন্দী মন।
সঙ্গী তুমি সোনালী ভোরে অজানা কোনো আলো
আলোয় ভরা আনন্দলোকে নিঃস্ব প্রাতে চলো
তবু জেগে উঠো, বেঁচে উঠো, গেয়ে উঠো আমার এ গান-
তুমি না অন্যকেউ শিয়রে কাঁদে, অধরা ছায়া শূন্যমাঝে ভেঙে পড়ে
তুমি না অন্যকেউ মেলে দেয়
ভোরের আকাশে সোনালীডানা চিল।
যাবে কি তুমি মোর সাথে?
আকাশ উর্ধ্বে ঐ নীল মাঝে,
যেথা অন্ধ বিশ্ব খোঁজে তোমাকে
যাবে কি তুমি মোর সাথে?
অনেক আশা নিয়ে
আমি ধূসর, ধূসর হয়ে জেগে থাকি।
অনেক মানুষের ভীড়েও তুমি থাকো একাকী
আমি অনেক আশা নিয়ে বসে থাকি।
হেরে যেতে যেতে যদি থমকে,
এক নিঃশ্বাসে সব পেরিয়ে
রোদ ঝলমলে এক দুপুরে,
যদি ঘুম সব ঘুম ভেঙে যায়
আমি অনেক আশা নিয়ে জেগে থাকি।
দরজার বাইরে রঙীন পৃথিবী,
ধূলো ধূলোমাখা দাঁড়িয়ে আছে
ঝড়ের আশায় তোমার শহরে,
শিরোনামহীন ফুটপাত ঘুমিয়ে গেছে।
একদিন এই ঝড়, তোমার এই শহরে,
ভেজায় যায় সব জানালা তবু আমি বসে আছি।
অনেক মানুষের ভীড়েও তুমি থাকো একাকী।
আমি অনেক আশা নিয়ে জেগে থাকি।
ইচ্ছে ঘুড়ি
চুপি চুপি মেঘের মেলা, তোমার আকাশ করছে চুরি
সূর্য বসাও আকাশের নীল, ইচ্ছের রঙ গোলাপী হলে
দিগন্ত রেখায় সূর্য নামে, ব্যস্ত সময় যাচ্ছে চলে।
হঠাৎ খেয়ালী এ ঝড়ো হাওয়ায়,
উড়ছে তোমার ইচ্ছে ঘুড়ি
ওড়াও ওড়াও সুতোর টানে,
আকাশের নীল যাচ্ছে চুরি।
শুভ্র সেই মেঘের ভীড়ে, তোমার সব ইচ্ছে ওড়ে।
আকাশ খেয়ালী মনে, হারায় কিছুই না জেনে।
তোমার সুতোয় বাঁধা আকাশ,
ঝড়ো হাওয়ায় রঙ হারালে
নির্বাক। ইচ্ছে। আচমকা। দিশেহারা……
এই আলোয় হাঁটছো একা, সঙ্গী কর আমায় তুমি।
বেয়াড়া যত মেঘের ছায়া, করছে চুরি স্বপ্নভূমি
নীলের আকাশ গোলাপী হলে, ইচ্ছে ঘুড়ি যাচ্ছে চলে
সূতোর বাঁধা ছাড়িয়ে আকাশ, অন্য ভূবন দেখবে বলে।
হঠাৎ খেয়ালী এ ঝড়ো হাওয়ায়,
ভাঙছে তোমার মেঘলা রেখা
ওড়াও ওড়াও সুতোর টানে,
আকাশ আবার হবে যে দেখা ।
দ্বিতীয় জীবন
অসংখ্য অনাবিল, পথ পেরিয়ে আশার স্মৃতির ভীড়ে-
রূপালী চাঁদের আলোয় জড়িয়ে থাকা সেই পিচঢালা পথ,
বিষন্ন চারিধার, ছড়িয়ে থাকা মৃদু কুয়াশা-
বিষন্ন ধোঁয়াশায় ধূসর স্মৃতি ঘিরে আছে, তাকে,
আঁধার লহরীর নীল সাজানো আকাশ ছুঁয়ে
জোছনা ভাঙা বালুচরে হারিয়ে যাওয়া,
মনে পড়ে যায় ফেলে আসা পথ পেরিয়ে, সোনালী প্রহর
তবুও সবুজ পথ পেরিয়ে, অসীম ছায়াপথ নিমেষে ছাড়িয়ে,
অবাক বিস্ময়ে।
জীবন স্নৃতি যেন এলোমেলো হয়ে উড়ে যায় একই পলকে,
একই নিমেষে।
তোমায় স্বাগত জানাই, ঝড়া পাতার মত সন্ধ্যায়,
আলোময় বিচরন, দ্বিতীয় জীবন,
ছায়াময় মননে, অবাক নয়নে,
ছায়া সুনিবিড়, বিস্ময়ে দেখি,
দ্বিতীয় জীবন, দ্বিতীয় জীবন।
নদী
স্বপ্ন মাঝে হারাই যদি,
সেই নদীটা ছন্দে হাসে
নিরবধি,
ভালবাসে।
ভরা গাঙ্গে ভরা নাঁওয়ে
মাতাল চিরন্তন
সত্যমতে পাপের খেলায়
অবাধ আগমন।
মনে মনে ভীষণ খেলা
কথার ফাকে মনের মেলা,
সেই মনেতে ছন্দে হাসে
নিরবধি।
ভালবাসে।
দিনে রাতে
নদীর বুকে
কালের দীর্ঘশ্বাস
সরল দেহে
জলের ধারা বহে বার মাস।
আমার নদী আমার রইল
অচীন অথই ঢেউ,
পাষাণ সময় স্রোতের তোড়ে
ভাসল না ত কেঊ।
জলে জলে ঢেউ এর মাতম
আকাশ পানে মেঘের কথন,
সেই মেঘেরা ছন্দে হাসে
নিরবধি,
ভালবাসে।
হাসিমুখ
হাসিমুখ, হাসিমুখে আনন্দধারা।
তুমি চেয়ে আছ তাই, আমি পথে হেটে যাই,
হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই।
রোদ উঠে গেছে তোমাদের নগরীতে
আলো এসে থেমে গেছে তোমাদের জানালায়,
আনন্দ হাসিমুখ, চেনা চেনা সবখানে
এরই মাঝে চল মোরা হারিয়ে যাই।
তুমি চেয়ে আছ তাই, আমি পথে হেটে যাই,
হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই।
হারিয়ে যেতে চাই, তোমাদের রাস্তায়,
হারিয়ে যেতে চাই, তোমাদের রাস্তায়,
অনেক অজানা ভীড়ে স্বচ্ছ নিরবতায়,
রোদ উঠে, গেছে চেনা এই নগরীতে নাগরিক জানালা
হাসিমুখে একাকার।
আনন্দ উৎসব চেনাচেনা সবখানে,
এরই মাঝে আমাদের ছুটে যাওয়া দরকার।
তুমি চেয়ে আছ তাই, আমি পথে হেটে যাই,
হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই।